২০২৩ বিশ্বকাপে মাশরাফিকে মেন্টর হিসেবে চান তামিম ইকবাল। এই আলোচনা হয়েছিল আরও দুই বছর আগে একটি লাইভ অনুষ্ঠানে। তামিমের সেই ইচ্ছে পূরণের দ্বার খুলেছে আজ।
গতকাল বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অকস্মাৎ অবসর ঘোষণার পর আজ শুক্রবার তামিমকে ডেকে নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিকেলে গণভবনে চলে দীর্ঘ বৈঠক। সেই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে অবসরের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন তামিম।
একইসঙ্গে ২০২৩ বিশ্বকাপে মেন্টর হিসেবে মাশরাফিকে পাওয়ার আলোচনাও সামনে আনেন তামিম। প্রধানমন্ত্রী তামিমের সেই ইচ্ছে পূরণের প্রতিশ্রুতিও দেন।
বিশ্বকাপে মাশরাফির মেন্টর থাকার বিষয়টি জানিয়ে দেশের প্রথম সারির এক গণমাধ্যমকে তামিম বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আমি বলেছি, মাশরাফি ভাইকে বিশ্বকাপের সময় এক-দেড় মাসের ছুটি দিন।
আমরা তাকে বিশ্বকাপে মেন্টর হিসেবে পেতে চাই।’ প্রধানমন্ত্রী তখনই হেসে বলেছেন, অবশ্যই মাশরাফি যাবে। মাশরাফি ভাইকেও তিনি প্রস্তুত থাকতে বলেছেন।
তামিমের এমন চাওয়া প্রসঙ্গে সেই গণমাধ্যমকে মাশরাফি বলেছেন, ‘দেখুন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি নির্দেশ দেন, তাহলে তো সেটা অবশ্যই মানতে হবে। কিছু করার নেই।
তিনি আমাকে বলেছেন ভাবতে। আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়, দল ঠিক আছে। এখানে বাড়তি কোনো কিছুর প্রয়োজন নেই। তারপরও সময় হলে দেখা যাবে।’
এর আগে বৃহস্পতিবার হুট করেই অবসরের ঘোষণা দেওয়ায় তামিমকে শুক্রবার মাশরাফির মাধ্যমেই গণভবনে ডেকে নেন প্রধানমন্ত্রী।
দীর্ঘ সেই আলোচনায় নিজের অবসরের কারণ ও পারিপার্শ্বিকতা ব্যাখ্যা করেন তামিম। পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি অবসরের ঘোষণা প্রত্যাহার করেও নেন।
জানা গেছে, এশিয়া কাপে অধিনায়ক হয়েই জাতীয় দলের জার্সি ফের গায়ে তুলবেন এই দেশসেরা ওপেনার।
জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হলেও, মাশরাফির বর্তমান পরিচয় তিনি নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য।
তার ওপর আগামী নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত পেলে নির্বাচনী ব্যস্ততা থাকার কথা তার।
ভারতের মাটিতে আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে বসবে বিশ্বকাপ আসর। ততদিনে জাতীয় নির্বাচনের তোড়জোড়ও শুরু হয়ে যাবে।





































