বাংলাদেশের বিপক্ষে নিজেদের সর্বোচ্চ ১৯৩ রান করেছিলো জিম্বাবুয়ে। কিন্তু এ রানও যথেষ্ট ছিলোনা সৌম্য সরকারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে। বাংলাদেশ পেল ৪বল হাতে রেখে ৫ উইকেটের জয়। টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি তিনটি সিরিজই নিজেদের করে নিলো বাংলাদেশ। ম্যাচ সেরা হয়েছেন সৌম্য সরকার।
এ পর্যন্ত ২৮টি দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলে মাত্র একটি সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে জিম্বাবুয়ে। এবার সুযোগ ছিল ঘরের মাঠে সিরিজ নিজেদের করে নেয়ার কিন্তু বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের অসাধারণ ব্যাটিংয়ে অপেক্ষা বাড়লো জিম্বাবুয়ের।
১৯৪ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই উঠে ১৩ রান। দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ নাঈম ও সৌম্য সরকারের জুটি অবশ্য বেশিক্ষণ টিকেনি। ব্লেসিং মুজারাবানির ফুললেংথের বলে তুলে মারতে গিয়ে জংগুয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৭ বলে ৩ রান করে আউট হন নাঈম।
এরপর সাকিব-সৌম্য জুটি এগিয়ে নিতে থাকে দলকে। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ৫০ রান। সাকিব-সৌম্যের ৫০ রানের জুটি ভাঙে ২৫ রানে জঙ্গুয়ের বলে সাকিব আউট হলে। একটি চার ও টানা দুই ছয়ে ১৩ বলে এ রান করেন সাকিব।
ইনিংসে সর্বোচ্চ সৌম্য-মাহমুদউল্লাহর ৬৮ রানের দলকে জয়ের আরও কাছে নিয়ে যায়। জঙ্গুয়ের বলে আউট হওয়ার আগে ৪৯ বলে ৬৮ রানের ইনিংস খেলেন সৌম্য। ৯টি চার ও একটি ছয়ের মাধ্যমে ইনিংস সর্বোচ্চ এ রান করেন তিনি।
আফিফের ৫ বলে ১৪ রানের ক্যামিও অবশ্য কোন অংশেই কম নয়। মাসাকাদজার বলে বোল্ড হওয়ার আগে দুর্দান্ত দুইটি ছয় মেরেছেন তিনি।
আগের ম্যাচে ঝড়ো ব্যাটিংয়ের আগমনী বার্তা দেওয়া শামীম এ ম্যাচেও খেলেছেন দুর্দান্ত। অপরাজিত ১৫ বলে ৩১* রান করে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন এই অলরাউন্ডার।
এর আগে মাদভেরের ৫৪ ও চাকাভার ৪৮ রানে ভর করে ১৯৩ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর পায় জিম্বাবুয়ে।































