বিদায়ের ছায়া ঘনিয়ে এলেও থেমে নেই ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। বয়স ও সমালোচনার সব বাধা পেরিয়ে এবার তিনি যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস লেখার লক্ষ্য নিয়ে নামছেন পর্তুগালের হয়ে।
গ্রুপ ‘কে’-তে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আজ বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় হিউস্টনে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর মুখোমুখি হবে পর্তুগাল। শক্তিশালী এই পর্তুগাল দলে রোনালদোই থাকছেন মূল আকর্ষণ।
রোনালদো এবার টানা ষষ্ঠ বিশ্বকাপে গোল করার এক অনন্য কীর্তি গড়ে নিজের নামের পাশে নতুন মহাকাব্য লিখতে চান। দীর্ঘ দুই দশকের বিশ্বকাপ যাত্রায় এবারও নিজের শেষ রূপকথা লেখার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামছেন তিনি।
পর্তুগালের ইতিহাসে ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপে বড় সাফল্য খুবই সীমিত। একমাত্র ২০০৬ সালে সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল তারা। এরপর ২০১৬ সালের ইউরো জয় এবং ইউয়েফা নেশনস লিগ জয়ের মাধ্যমে ইউরোপে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে দলটি।
এই বিশ্বকাপে পর্তুগাল দলে আছেন ভিতিনিয়া, জোয়াও নেভেস, নুনো মেন্দেস ও ব্রুনো ফার্নান্দেসের মতো তারকারা, তারা সাম্প্রতিক ক্লাব পারফরম্যান্সে দারুণ ছন্দে আছেন।
অন্যদিকে, আফ্রিকা অঞ্চল থেকে দীর্ঘ ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো ইতিহাস গড়েই এসেছে। ১৯৭৪ সালের পর এই প্রথম বিশ্বমঞ্চে খেলছে তারা।
দলটিতে থাকছেন অ্যারন ওয়ান-বিসাকা, অ্যাক্সেল তুয়ানজেবে, আর্থার মাসুয়াকু, ইয়োয়ান উইসা ও সেড্রিক বাকাম্বুর মতো ইউরোপিয়ান লিগে খেলা অভিজ্ঞ ফুটবলাররা।
সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতা ও তারকাখ্যাতিতে এগিয়ে পর্তুগালই ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামছে। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে কঙ্গোর লড়াকু মানসিকতাও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।
পর্তুগালের সম্ভাব্য একাদশ:
দিয়োগো কস্তা; জোয়াও ক্যানসেলো, রুবেন দিয়াস, গনসালো ইনাসিও, নুনো মেন্দেস; হোয়াও নেভেস, ব্রুনো ফার্নান্দেস, ভিতিনিয়া; বার্নার্দো সিলভা, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, পেদ্রো নেতো।
ডিআর কঙ্গোর সম্ভাব্য একাদশ:
লিওনেল এমপাসি; অ্যারন ওয়ান-বিসাকা, মুকোকো কাপুয়াদি, অ্যাক্সেল তুয়ানজেবে, চানসেল এমবেম্বা, আর্থার মাসুয়াকু; স্যামুয়েল মুতুসামি, নোয়া সাদিকি, এনগালোয়েন মুকাউ; ইয়োয়ান উইসা, সেড্রিক বাকাম্বু।



























