ইউপি নির্বাচন ৫ ধাপে, প্রথম ধাপের ভোট গ্রহণ ২১ জানুয়ারি


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: অক্টোবর ১২, ২০২৬, ০১:৫৫ পিএম
ইউপি নির্বাচন ৫ ধাপে, প্রথম ধাপের ভোট গ্রহণ ২১ জানুয়ারি

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) কমিশন সভা শেষে এ কথা জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে তাঁর সভাকক্ষে কমিশন সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভা শেষে ইসি সানাউল্লাহ জানান, ইউপি নির্বাচনে পাঁচ ধাপে ভোট গ্রহণ করা হবে। প্রথম ধাপের ভোট গ্রহণ হবে ২১ জানুয়ারি। দ্বিতীয় ধাপ ৪ ফেব্রুয়ারি, তৃতীয় ধাপ ২৯ এপ্রিল, চতুর্থ ধাপ ১৩ মে ও পঞ্চম ধাপ ২৭ মে।

এর আগে ইসি সূত্র জানায়, সভার অ্যাজেন্ডায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও ইউপি নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণ, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ এবং পারসোনালাইজেশন সেন্টারের যন্ত্রপাতির রক্ষণাবেক্ষণ, কার্ড ছাপানো, বকেয়া বিল পরিশোধ ও নতুন চুক্তি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এ ছাড়া জাতীয় নির্বাচন পদক নীতিমালা ২০২৫-এর খসড়া অনুমোদন ও বিবিধ বিষয় রাখা হয়েছে।


দেশে বর্তমানে ৪ হাজার ৫৮০ ইউপি রয়েছে। এর মধ্যে চলতি বছর ডিসেম্বরের মধ্যে মেয়াদ শেষ হবে ৩ হাজার ৬৩ ইউপি পর্ষদের এবং ফেব্রুয়ারির মধ্যে আরও ১ হাজার ৪৮টির। স্থানীয় সরকার (ইউপি) আইন অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন হতে হবে। কোনো কারণে পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হলে, তার পরবর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন হতে হবে। ওই সময়ে প্রশাসক নিয়োগ করবে সরকার। তবে দৈব-দুর্বিপাকের কারণে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসক দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।


২০২১ সালে ছয় ধাপ ও একটি বিশেষ ধাপে ইউপি নির্বাচন হলেও এবার পাঁচ ধাপে সবগুলো ইউপির নির্বাচন করতে চায় ইসি। এ ক্ষেত্রে প্রতি ধাপে ৯০০-এর বেশি ইউপির ভোট করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের একাধিক কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, জানুয়ারিতে দুই ধাপে এবং ফেব্রুয়ারিতে রমজানের আগে তৃতীয় ধাপের নির্বাচন হবে। রমজান মাসের পরে ৬ জুনের আগে বাকি দুই ধাপের নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখও আজকের বৈঠকে নির্ধারণ করা হবে। এর মধ্যে কোনো ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন করা সম্ভব না হলে পরবর্তী সময়ে সুবিধাজনক তারিখে ভোট গ্রহণ করা হবে।

কমিশন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, প্রথম তিন ধাপের নির্বাচনের মধ্যে কমপক্ষে ১০ দিনের বিরতি থাকতে পারে। পাঁচ ধাপে নির্বাচন আয়োজনের পরও কোনো ইউপির ভোট বাকি থাকলে, সে বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রথম ধাপে জেলা সদরের সব ইউপির ভোট করার পরিকল্পনা রয়েছে ইসির। যেসব জেলার সদর সিটি করপোরেশন এলাকায়, সেসব ক্ষেত্রে নিকটবর্তী উপজেলাগুলোর ইউনিয়ন পরিষদে প্রথম ধাপে ভোট করার পরিকল্পনা রয়েছে।

Link copied!