আত্মপ্রকাশের দিনই ‘গণ অধিকার পরিষদ’ এবং এর সহযোগী সংগঠন ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদকে ‘জঙ্গি, সাম্প্রদায়িক ও সন্ত্রাসী সংগঠন’ আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ।
মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে এ দাবি জানান বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা। এর আগে সকালে পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোডের প্রীতম জামান টাওয়ারে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ‘গণ অধিকার পরিষদ’। দলটির আহ্বায়ক করা হয় হয় রেজা কিবরিয়াকে এবং সদস্য সচিব করা হয় ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে।
এদিকে ‘গণ অধিকার পরিষদ’কে নিষিদ্ধের পাশাপাশি রেজা কিবরিয়া ও নুরুল হক নুরকে সাম্প্রদায়িক হামলায় মদদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে গ্রেপ্তারের দাবি জানান মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা। এই দুই দাবিতে শাহবাগ মোড় অবরোধ করে সমাবেশ করেন তারা। এ সময় আধ ঘণ্টার জন্য শাহবাগ মোড় দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। যার কারণে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
সমাবেশে অংশ নিয়ে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক উত্তম কুমার বড়ুয়া দাবি করেন, রেজা কিবরিয়া ও নুরেরা সাম্প্রদায়িক হামলায় মদদ দিচ্ছে। তারা বাংলাদেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তাদের উদ্দেশ্য জাতির সামনে উন্মোচিত হয়েছে। এরা জামায়াত-শিবিরের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য মাঠে নেমেছে। তাই তাদের সাম্প্রদায়িক সংগঠন দ্রুত নিষিদ্ধ করতে হবে। এই সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কেন্দ্রীয় সভাপতি আমিনুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, “চট্টগ্রামের জে এম সেন হল পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনায় সুস্পষ্ট প্রমাণসহ নুরুল হকের নেতৃত্বাধীন ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের ১০ জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। রেজা কিবরিয়া ও নুরুল হকের প্রত্যক্ষ মদদে ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী বিজয়া দশমীর দিনে চট্টগ্রামের জে এম সেন পূজামণ্ডপে হামলা চালিয়ে দেশব্যাপী সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসকে উসকে দিয়েছিল। এটিসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় নেতৃত্ব দেওয়ার অপরাধে জঙ্গি ও সন্ত্রাসী সংগঠন গণ অধিকার পরিষদ এবং ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদকে নিষিদ্ধ করাসহ হামলার মদদদাতা রেজা কিবরিয়া ও নুরুল হক গংদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।”



























