বাগেরহাটে ৩৮ ইউপিতে আ. লীগ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী


সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১, ১১:২২ এএম
বাগেরহাটে ৩৮ ইউপিতে আ. লীগ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী

৪৩টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। বাগেরহাটে ৬৬টি ইউপির মধ্যে ৩৮টিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন না। ফলে তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

আগামীকাল সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) সারা দেশের ১৬০টি ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে খুলনায় ৩৪, বাগেরহাটে ৬৬, সাতক্ষীরায় ২১, নোয়াখালীতে ১৩, চট্টগ্রামে ১২ এবং কক্সবাজারে ১৪টি ইউনিয়ন রয়েছে।

বাগেরহাটের বাইরে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে ৪টি এবং খুলনার ১টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

মূলত বাগেরহাটের ২৮টি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে আগামীকাল ভোট হবে। সেখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের প্রতিদ্বন্দ্বী একই দলের বিদ্রোহী প্রার্থীরা। বিদ্রোহী হওয়ায় সাময়িকভাবে ২৬ জন নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, বাগেরহাটে ভোটদানের জন্য ৫৯৯টি কেন্দ্রে ২ হাজার ৮১৯টি বুথ তৈরি করা হচ্ছে। এর মধ্যে ৫৯৯টি কেন্দ্রের সব কটিকেই অধিক গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) বিবেচনা করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বিনা ভোটে ৩৮ জন নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানান জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়কারী ফারাজী বেনজীর আহম্মেদ।

প্রথম ধাপের স্থগিত ১৬১টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টায় শেষ হয়েছে।

আগামীকাল সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) দেশের ১৬১ ইউপিতে ভোট গ্রহণ হবে। ইউপি এলাকাতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ইতিমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মাঠে নেমেছে। নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ছুটি থাকছে না। তবে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সাধারণ ছুটির আওতায় থাকবেন। এছাড়া ভোট দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে ছুটি নিতে পারবেন সাধারণ নাগরিকরা।

যেসব যানবাহন চলাচল বন্ধ

আজ রাত ১২টা থেকে ২১ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এছাড়া ভোটের আগের দিন ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা থেকে ভোটের দিন ২০ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় ট্রাক ও পিকআপ, লঞ্চ, স্পিডবোট এবং ইঞ্জিনচালিত নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া জরুরি সেবাসহ অন্যান্য পরিবহন চলাচল করতে পারবে।

প্রথম ধাপে দেশের ৬৪টি উপজেলার ৩৭১টি ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য তফসিল ঘোষণা করেছিল ইসি। ১১ এপ্রিল নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। তবে করোনা কারণে নির্বাচন স্থগিত করা হয়।

২১ জুন ২০৪টি ইউপির ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) ১৬১টি ইউপির ভোট গ্রহণ।

Link copied!