বাংলাদেশের পর্যটনে তুর্কি বিনিয়োগ ও পর্যটক আকর্ষণে বিটিবির উদ্যোগ


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: নভেম্বর ৮, ২০২৬, ১১:৫২ পিএম
বাংলাদেশের পর্যটনে তুর্কি বিনিয়োগ ও পর্যটক আকর্ষণে বিটিবির উদ্যোগ

বাংলাদেশের পর্যটন খাতে তুরস্কের বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দেশটি থেকে পর্যটক আনতে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ টুরিজম বোর্ড। এ লক্ষ্যে তুরস্কের কোনিয়া অঞ্চলে বাংলাদেশের অনারারি কনসাল ডেনিজ বুলকুরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিটিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী।

আজ রোববার বাংলাদেশ টুরিজম বোর্ডের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের পর্যটন অবকাঠামো, হোটেল-রিসোর্টসহ বিভিন্ন খাতে তুর্কি বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং দুই দেশের পর্যটন সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের বর্তমান অগ্রগতি, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের পর্যটন গন্তব্যগুলো তুলে ধরার বিষয়ে মতবিনিময় করেন দুই পক্ষ।

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমুদ্রসৈকত, পাহাড়, বনাঞ্চল, ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসহ বৈচিত্র্যময় পর্যটন সম্পদ নিয়েও আলোচনা হয়। এসব আকর্ষণ তুরস্কের মানুষের কাছে তুলে ধরে দেশটি থেকে পর্যটক আকর্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

তুরস্কের কোনিয়ায় বাংলাদেশের অনারারি কনসাল ডেনিজ বুলকুর বাংলাদেশের পর্যটন খাতের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তুরস্কের পর্যটকদের বাংলাদেশ ভ্রমণে উৎসাহিত করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা ও আকর্ষণীয় গন্তব্যগুলো তুরস্কের মানুষের কাছে আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরার সুযোগ রয়েছে বলেও মত দেন ডেনিজ বুলকুর।

পর্যটন শিল্পে তুর্কি বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। পর্যটন অবকাঠামো, হোটেল ও রিসোর্ট নির্মাণ এবং পর্যটনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সেবামূলক খাতে তুর্কি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ নিয়ে মতবিনিময় করে দুই পক্ষ।

ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী বলেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের নির্দেশক্রমে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। পর্যটনমন্ত্রী ও সচিবের পরামর্শ এবং নির্দেশনায় দেশের পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরা, বিদেশি পর্যটক আকর্ষণ এবং পর্যটন খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে বাংলাদেশ টুরিজম বোর্ড কাজ করছে বলে জানান বিটিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ ও সহযোগিতা জোরদার করা গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বাংলাদেশ ও তুরস্কের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় পর্যটন খাতেও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। তুরস্কের পর্যটকদের কাছে বাংলাদেশকে আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরা এবং দেশের পর্যটন শিল্পে তুর্কি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে ভবিষ্যতেও দুই পক্ষের যোগাযোগ অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

জাতীয় বিভাগের আরো খবর

Link copied!