৭২ কেজির দুই কাতল ও বাগাড়


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: নভেম্বর ২, ২০২৬, ১১:৪৪ পিএম
 ৭২ কেজির দুই কাতল ও বাগাড়

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের অদূরে পদ্মা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে বিশাল দুই কাতল ও একটি বাগাড় মাছ। তিনটি মাছের মোট ওজন ৭২ কেজি। দৌলতদিয়ার একটি মাছের আড়তে উন্মুক্ত নিলামে তোলার পর মাছগুলো বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকায়।

গতকাল সোমবার সকালে পদ্মা নদীতে জেলে সেকেন সরদারের জালে মাছ তিনটি ধরা পড়ে। পরে মাছগুলো দৌলতদিয়ার শিপন মণ্ডলের মৎস্য আড়তে নেওয়া হয় বলে জানান স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী শাহজাহান।

জেলে সেকেন সরদারের বরাতে শাহজাহান জানান, দল নিয়ে পদ্মা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে জাল ফেলার পর তা তুলতেই বিশাল সাইজের দুটি কাতল ও একটি বাগাড় দেখতে পান সেকেন সরদার। আড়তে ওজন করে দেখা যায় বাগাড়টির ওজন ২৫ কেজি। একটি কাতল ২৫ ও অন্যটি ২২ কেজি ওজনের।
উন্মুক্ত নিলামে ২৫ কেজি ওজনের কাতলটি প্রতি কেজি ২ হাজার ৩০০ টাকা দরে ৫৭ হাজার ৫০০ টাকায় কেনেন শাহজাহান। ২২ কেজি ওজনের অপর কাতলটি একই দরে ৫০ হাজার ৬০০ টাকায় কেনেন তিনি। দুটি কাতলের মোট দাম পড়ে ১ লাখ ৮ হাজার ১০০ টাকা।

২৫ কেজি ওজনের বাগাড়টিও প্রতি কেজি ১ হাজার ৬০০ টাকা দরে ৪০ হাজার টাকায় কেনেন শাহজাহান। তিনটি মাছ কিনতে তাঁর মোট খরচ হয় ১ লাখ ৪৮ হাজার ১০০ টাকা।

শাহজাহান পরে মাছ তিনটি এক কাতারপ্রবাসীর কাছে বিক্রি করেন ১ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকায়।

মৎস্য আড়তের শিপন মণ্ডল বলেন, সকালে জেলে সেকেন সরদার মাছগুলো নিয়ে আড়তে আসেন। পরে উন্মুক্ত নিলামে মাছ ব্যবসায়ী শাহজাহান মাছগুলো কিনে নেন।

শিপন মণ্ডল আরও বলেন, দৌলতদিয়ার এই বাজারে শুধু পদ্মা নদীর মাছ বিক্রি হয়। যে কেউ এখানে এসে নিলামে অংশ নিতে পারেন।

সংগঠনটির নেতারা মনে করেন, রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের স্বাভাবিক গতি ফিরবে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতি কমবে এবং কর্মসংস্থান রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। এই অবস্থায় বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় সরকারি নির্দেশনা জারির জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি।
 

Link copied!