পেঁয়াজ, মুরগি ও ডিমসহ অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে


সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: জুলাই ২৪, ২০২৬, ০৬:৫৭ পিএম
পেঁয়াজ, মুরগি ও ডিমসহ অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে

টানা বৃষ্টিপাত ও বন্যার জেরে রাজধানীর কাঁচাবাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। পেঁয়াজ, মুরগি, ডিম ও প্রায় সব ধরনের সবজিসহ অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। রাজধানীর রামপুরা, খিলগাঁও, তালতলা ও মালিবাগ কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে অধিকাংশ পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বাজারে এসে চরম বিপাকে পড়ছেন নিম্ন ও নির্দিষ্ট আয়ের মানুষ।


সবচেয়ে বেশি বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম,  তালতলা বাজারের এক বিক্রেতা জানান, গতকাল থেকে ২৬০ থেকে ২৯০ টাকা কেজিতে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে। দুদিন আগে যা ছিল ২০০ টাকা। আর বন্যা-বৃষ্টির আগে ছিল ১০০ থেকে ১২০ টাকা। বাজারের বাইরে ভ্যানেও প্রতি পোয়া মরিচের জন্য ৬৫ টাকা চাওয়া হচ্ছে। সে হিসাবে প্রতি কেজির দাম ২৬০ টাকা।

 

কাঁচামরিচের পাশাপাশি পেঁয়াজের দামও কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে। তাতে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫৫ টাকা। রাজধানীর কোনো কোনো বাজারে পেঁয়াজের কেজি ৬০ টাকা। সপ্তাহখানেক আগেও খুচরা পর্যায়ে ৩৫ থেকে ৪৫ টাকায় এক কেজি পেঁয়াজ কেনা যেত।


এদিকে প্রতি কেজি পেঁপে ৪০ টাকা ও পটল ৬০ টাকা, এ দুই সবজি ছাড়া অন্য কোনো সবজি ৮০ টাকা কেজির নিচে নেই। বেশিরভাগ সবজির দাম ১০০ টাকার আশপাশে।


রামপুরা বাজারে বেগুন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, ঝিঙ্গা ও চিচিঙ্গা ৮০ থেকে ১০০ টাকা ও করলা ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শসা ও গাজরও ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।


এ ছাড়াও বাজারে আগের তুলনায় বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে মুরগি, ডিম, সবজি ও বিভিন্ন ধরনের মাছ। মূলত বৃষ্টির কারণে অনেক পণ্য নষ্ট হওয়ায় এবং চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমায় এসব পণ্যের দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।


এদিকে বাজারে ফার্মের মুরগির ডিম ১৪০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে, যা কয়েকদিন আগে ১৩০ টাকা ছিল। আর দেড় থেকে দুই সপ্তাহ আগে ১২০ টাকাতে পাওয়া যেত। এ ছাড়া ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ২০ টাকা বেড়ে ১৯০ থেকে ২০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির কেজি ৩৫০ থেকে ৩৭০ টাকা।


কিছুদিন আগেও বাজারে দুই থেকে আড়াই কেজি ওজনের রুই মাছ প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকায় বিক্রি হতো। সেগুলো এখন ৪০০ থেকে ৪২০ টাকা পর্যন্ত কেজি হাঁকছেন বিক্রেতারা। টানা কয়েক দিনের অতিবৃষ্টি ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আকস্মিক বন্যার নেতিবাচক প্রভাব মাছের বাজারে পড়েছে বলে দাবি বিক্রেতাদের।

জাতীয় বিভাগের আরো খবর

Link copied!