খালেদাকে বিদেশ নিতে সরকারের কাছে ফের আবেদন


সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: নভেম্বর ১৫, ২০২১, ০৮:৩৯ পিএম
খালেদাকে বিদেশ নিতে সরকারের কাছে ফের আবেদন
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে আবারও পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে। 

সোমবার (১৫ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে এ আবেদন করা হয়। বিএনপির প্রভাবশালী একাধিক নেতা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

বিএনপির প্রভাবশালী এক নেতা জানান, সোমবার সকালের দিকে পরিবারের পক্ষ থেকে বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর আবেদন করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‍“আমি এ বিষয়ে বলতে পারবো না। দুদিন ধরে অসুস্থ অবস্থায় আছি।”

এদিকে, সোমবার সন্ধ্যায় একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিএনপি চেয়ারপারসনের বোন বেগম সেলিমা ইসলামও খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার অনুমতি চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন করার বিষয়টি জানিয়েছেন।

সেলিমা বলেন, “এখানে আধুনিক চিকিৎসার সাপোর্ট বা সুবিধার ঘাটতি আছে বলে চিকিৎসকরা তাদের বলেছেন। তার (খালেদা জিয়ার) শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ। বুঝতেই পারছেন যে ২৬ দিন হাসপাতালে থেকে আসলো। আবার এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই হাসপাতালে যেতে হলো।”

খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তার বোন বলেন, “তার হিমোগ্লোবিন অনেক কমে গেছে। তার শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ, হেঁটে চলতে পারছে না। সেজন্যই আমরা বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা করতে চাই।”

এ সময় সেলিমা যোগ করেন, এখানে তো ডাক্তাররা সেভাবে চিকিৎসা দিতে পারছেন না। কারণ তাদের আধুনিক যন্ত্রপাতি বা সুবিধা নেই।

বিএনপি চেয়ারপারসনের বোন বলেন, “খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা প্রয়োজন, চিকিৎসকরা এখন একটাই পরামর্শ দিচ্ছেন। সেজন্য তাদের ভাইবোনদের পক্ষ থেকে আবারও সরকারের অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। এটাই আমাদের আবেদন সরকারের কাছে যে তাকে (খালেদা জিয়া) চিকিৎসার জন্য যাওয়ার অনুমতি ওনারা (সরকার) যেন দেয়।”

কোন দেশে নিয়ে চিকিৎসা করাতে চায় পরিবার- এ প্রশ্নের জবাবে সেলিমা ইসলাম বলেন, “সিঙ্গাপুর কাছে হবে এবং সেজন্য সিঙ্গাপুরকে তারা অগ্রাধিকার দেন। এছাড়া যে দেশেই অনুমতি মিলবে, সেখানেই তারা নেবেন।”

এর আগে গত শনিবার অবস্থার অবনতি ঘটলে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয় খালেদা জিয়াকে। গত ১২ অক্টোবর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। গত ৭ নভেম্বর তিনি বাসায় ফিরেছিলেন।

Link copied!