• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্বে সহকর্মীকে ছয় টুকরা করে হত্যা


সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: আগস্ট ৯, ২০২১, ০২:১০ পিএম
ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্বে সহকর্মীকে ছয় টুকরা করে হত্যা

ভাগ-ভাটোয়ারা ও লভ্যাংশ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে খুন হন সাভারের রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মিন্টু চন্দ্র বর্মণ। পাশাপাশি পার্টনারশিপ নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকায় দুই অংশীদার রবিউল এবং মোতালেব মিলে মিন্টুকে ছয় টুকরো করে।

সোমবার (৯ জুলাই) র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

মঈন জানান, ৭ জুলাই তারা হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেছিলো। তারা ওখানে কোচিং পরিচালনা করতো। তাদের পরিকল্পনা করেছিলো সন্ধ্যাকালীন কোচিং শেষে তারা এ হত্যাকাণ্ড করবে। ১৩ জুলাই যেদিন থেকে মিন্টু বর্মণ চন্দ্র নিখোঁজ ছিলেন, কোচিং পরবর্তী সময়ে তাকে কলেজের ১০৬ নম্বর রুমে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে ছয়টি টুকরা করে। হত্যাকাণ্ড ব্যবহৃত চুরি, শাবল, কোদাল, দা, কলেজের সিঁড়ির নিচে লুকিয়ে রাখে। পাশাপাশি তারা সিমেন্ট-বালু সরাঞ্জামাদি রেখেছিলো। তাদের পরিকল্পনা ছিলো দেহের ছয় টুকরা মাটি চাপা দিয়ে প্লাস্টার করার একটি পরিকল্পনা করেছিলো। এবং ছিন্ন মাথাটি একটি ডোবাতে ফেলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলো।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা আরো জানান, মিন্টু বর্মণ চন্দ্র স্থানীয়ভাবে বেশ সুনাম অর্জন করেছিলেন অধ্যক্ষ হিসেবে। ওনাকে নিয়ে রবিউল এবং মোতালেব এই কলেজটি করার পরিকল্পনা করে। রবিউল, মোতালেব ও মিন্টু ছিলেন অংশীদার। মিন্টু ভালোভাবে কাজ করছিল, স্বনামধন্য অধ্যক্ষ হিসেবে পরিচিত পাওয়ায় তাদের মধ্যে প্রতিহিংসা ছিল। পাশাপাশি মালিকানা তথা লভ্যাংশ ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিলো।

সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা শরীরের ৫টি টুকরা স্কুলের মাঠে মাটিচাপা দিয়েছে। আর আরেকটি টুকরা রাজধানীর নর্দ্দা এলাকায় একটি নর্দমায় ফেলে দিয়েছে।

এর আগে আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সাভারের রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এলাকায় মিন্টু বর্মণের মরদেহ উদ্ধারে অভিযান শুরু করে র‌্যাব।

জাতীয় বিভাগের আরো খবর

Link copied!