• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০২৪, ১১ আষাঢ় ১৪৩১,

গৃহকর্তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের বলি গৃহকর্মী! 


সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৫, ২০২১, ০৬:৩৪ পিএম
গৃহকর্তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের বলি গৃহকর্মী! 

রাজধানীর তুরাগের দিয়াবাড়ির ঝাউবন এলাকা থেকে গত তিনদিন আগে পারভীন ওরফে ফেন্সি আরা (৩০) নামের এক গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। 

গৃহকর্তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের সন্দেহের জেরে পারভীনকে হত্যা করেন গৃহকর্ত্রী বলে জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই)।

রোববার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম।

পিবিআই বলছে, নিহত ফেন্সি আরা গুলশানের নিকেতনে একটি বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতেন। ওই বাসার গৃহকর্তা সৈয়দ জসীমুল হক (৬৩) ও গৃহকর্ত্রী সৈয়দা সামিনা হাসান (৬০)। জসীমুল হকের সঙ্গে পারভীনের অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে এমন ধারণা থেকে সামিনা হাসান গৃহকর্মীকে হত্যা করে। পরে তার লাশ গাড়িচালকের সহায়তায় তুরাগের ঝাউবন এলাকায় ফেলা হয়। এ কথা স্বীকারও করেছেন গৃহকর্ত্রী সামিনা হাসান।

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‍“জীবিকার সন্ধানে ছয় বছর আগে স্বামীর সঙ্গে ঢাকায় আসেন গৃহকর্মী পারভীন। পারভীনের গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরের চিরিরবন্দর আলোকডিহি সরকারপাড়া এলাকায়। তার বাবার নাম রমজান আলী। স্বামীর নাম মোমিনুল হক। তার স্বামী রিকশা চালানো শুরু করেন। আর পারভীন গৃহকর্মীর কাজ নেন। তাকে মাসে সাত হাজার টাকা করে পারিশ্রমিক দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাকে মাত্র এক হাজার টাকা করে দেওয়া হতো।” 

বিশেষ পুলিশ সুপার বলেন, “গৃহকর্তা জসীমুলের সঙ্গে ফেন্সির অনৈতিক সম্পর্ক আছে বলে সন্দেহ করতেন গৃহকর্ত্রী সামিনা হাসান। এই সন্দেহের জেরে ১ ডিসেম্বর সকালে ফেন্সিকে লাঠি দিয়ে মারধর করেন সামিনা। এতে তিনি জ্ঞান হারালে তার বুকে জোরে চাপ দেওয়া হয়। এতে বুকের হাড় ভেঙে ফেন্সির মৃত্যু হয়। হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দিতে গাড়িচালক রমজান আলীর সহায়তায় তুরাগের দিয়াবাড়ির ঝাউবনে তার লাশ ফেলে দেওয়া হয়।”

জাহাঙ্গীর আলম আরো বলেন, “ফেন্সির স্বামী মোমিনুল ঢাকায় রিকশা চালান। পারভীন ওই বাসায় কাজ নেওয়ার পর তার সঙ্গে মোমিনুলকে দেখা করতে দেওয়া হতো না। এ নিয়ে গুলশান থানায় গত অক্টোবরে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন মোমিনুল।”

জাতীয় বিভাগের আরো খবর

Link copied!