পালক ও পাখাবিশিষ্ট দ্বিপদী প্রাণী হচ্ছে পাখি। পৃথিবীতে পাখির প্রজাতি রয়েছে প্রায় ১০ হাজার। কিছু পতঙ্গ এবং বাদুড়ের পাখা থাকলেও কেবল পাখিদেরই পালক থাকে। কিছু কীটপতঙ্গ ও বাদুড়ের পাখা থাকে। তবে এদের পালক থাকে না বলে পাখির খেতাব দেওয়া হয় না।
কিন্তু সম্প্রতি বাদুড়কে সেরা পাখির খেতাব দিয়েছে নিউজিল্যান্ড। দেশটিতের প্রতিবছর ‘সেরা পাখি’ নির্বাচিত হয়। অনলাইন ভোটের মাধ্যমে পছন্দের পাখিকে ভোট দেন দেশটির পাখিপ্রেমীরা। এই বছরও তাই হয়। অনলাইনে ভোট দিয়ে সেরা পাখি নির্বাচন করা হয় বাদুড়কে।
দেশটির পরিবেশ সংগঠন ‘ফরেস্ট অ্যান্ড বার্ড’-এর উদ্যোগে এই ‘বার্ড অব দ্য ইয়ার’ প্রতিযোগিতার আয়োজন হয়। যার উদ্দেশ্য ছিল, বিলুপ্তির দিকে ঝুঁকে থাকা বিভিন্ন প্রজাতিকে রক্ষা করা ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার বিষয়ে গণসচেতনতা বাড়ানো।
এবারের প্রতিযোগিতায় ৫৬ হাজারের বেশি মানুষ অনলাইনে ভোট দেন। এর মধ্যে ৭ হাজারের বেশি ভোট পেয়ে খেতাব জিতেছে লম্বা লেজের বাদুড়। ‘পেকাপেকা–তউ–রোয়া’ নামে বাদুড়ের বিশেষ এক প্রজাতিকে ভোট দিয়ে জয়ী করা হয়।
দেশটির পরিবেশ সংগঠনের কর্মকর্তারা জানান, ‘কাকাপো’ নামের এক প্রজাতির তোতাপাখির সঙ্গে তুমুল প্রতিযোগিতা করে খেতাব জিতেছে এই বাদুড়। তোতাপাখিটি গত বছর ‘সেরা পাখি’ নির্বাচিত হয়।
কর্মকর্তাদের বক্তব্য, স্থানীয় প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে বাদুড় বিলুপ্তির দিকে ঝুঁকে রয়েছে। এই কারণেই এটি প্রতিযোগিতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
বাদুড়কে ‘সেরা পাখি’র খেতাব দেওয়ার পরই সমালোচনার মুখে পড়ে আয়োজকরা। সংগঠনের দেওয়া যুক্তিকেও মেনে নেননি তারা।
সমালোচকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ের করোনাভাইরাস মহামারির পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে বাদুড়ের প্রতি ঘৃণা মনোভাব তৈরি হয়েছে সবার। করোনাভাইরাসের জন্য় প্রধান দায়ী বাদুড়কে ‘সেরা পাখি’র তালিকায় রাখা আয়োজকদের ভুল সিদ্ধান্ত।








































