ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় নিয়ে পুনরায় সরকার গঠন করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরে যান দলটির প্রধান ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে মুখ্যমন্ত্রী পদ ধরে রাখতে উপনির্বাচনে জিতে সংসদে আসতে হবে মমতাকে।
দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচন ভারতীয় সময় বৃহস্পতিবার সকাল সাতটায় শুরু হয়েছে। এই আসনে জিতলে মুখ্যমন্ত্রী পদে বহাল থাকবেন তৃণমূল নেত্রী। নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল।
ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার জানায়, নির্বাচন উপলক্ষে ভবানীপুর আসনের নিরাপত্তায় নিয়োগ করা হয়েছে ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী। সঙ্গে আছে কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে ভবানীপুর বিধানসভা আসনের এলাকাজুড়ে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে ৫ জনের বেশি মানুষকে জমায়েত না হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২৬টি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে।
আজ এ আসনে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৫৬ জন ভোটারের ভোট দেওয়ার কথা। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশের ৫ জন যুগ্ম কমিশনার, ১৪ জন ডেপুটি কমিশনার ও ১৪ জন সহকারী কমিশনার নিয়োগ করা হয়েছে। নারী র্যাফ সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করবেন।
এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম বিধানসভা আসনে এবার লড়েছিলেন মমতা। কিন্তু তিনি হেরে যান তৃণমূল থেকে পদত্যাগ করা বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে। ভারতীয় সংবিধান মেনে গত ২ মের ফলাফল ঘোষণার পর ৫ মে মমতা মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন। সাংবিধানিক বিধি হলো ছয় মাসের মধ্যে মমতাকে রাজ্যের যেকোনো একটি বিধানসভা আসনে জিতে আসতে হবে বিধানসভায়। সে লক্ষ্যে ভবানীপুর আসনে তৃণমূলের জয়ী বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় পদত্যাগ করেন। মমতাকে ভবানীপুর আসনের শূন্যপদে জিতিয়ে আনাই তাঁর লক্ষ্য।



































