নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬৯ জনে। শুক্রবার সকালে নেপাল পুলিশ জানিয়েছে এ তথ্য। চীনের তিব্বতেও মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। খবর রয়টার্সের।
এ ঘটনায় নেপালে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় এক হাজার মানুষ। তাদের বেশিরভাগই পর্যটক বলে জানিয়েছে কতৃপক্ষ।
নেপাল পর্যটন বোর্ড বৃহস্পতিবার রাতে জানিয়েছে, বন্যা কবলিত এলাকায় ১২৭ জন নেপালিসহ মোট ৬৬৭ জন পর্যটক ও ভ্রমণকারী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। বন্যার সময় রাসুয়া, নুয়াকোট ও ধাদিঙে থাকা বা সেখান দিয়ে যাতায়াতকারী পর্যটক ও ভ্রমণকারীদের অবস্থান যাচাইয়ের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে কর্তৃপক্ষ।
দুর্ঘটনার তৃতীয় দিনেও চলছে উদ্ধার অভিযান। ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে কাদামাটির ভেতর তল্লাশি চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। ধ্বংসাবশেষ ও বিপুল পরিমাণ পানি আরও একটি দুর্যোগের ঝুঁকি তৈরি করেছে।
নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে বলেছে, ভোতেকোশি নদীতে ধ্বংসাবশেষ জমে একটি হ্রদ তৈরি হয়েছে। সেখানে পানির উচ্চতা বাড়ছে এবং যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙে আরেকটি দুর্যোগ তৈরির ঝুঁকি রয়েছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চীনের তিব্বতের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা গিরং সীমান্ত ক্রসিংয়ে পৌঁছাতে পারেননি উদ্ধারকারীরা। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এলাকাটিতে যাওয়ার প্রধান সড়ক থেকে ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ চলছিল।
চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, তিব্বতের গিরং কাউন্টিতে ৫৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৬০ জন বিদেশি নাগরিক। চীনের অংশে এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


































