সৌদি আরবে হজ পালনে যাওয়া নাগরিকদের ভিক্ষাবৃত্তি, অনুমোদনহীনভাবে অর্থ সংগ্রহ এবং ভিসার শর্ত লঙ্ঘন না করার বিষয়ে কঠোর সতর্ক করেছে পাকিস্তান। দেশটির সৌদি আরবস্থ দূতাবাস এক বার্তায় নাগরিকদের সৌদি আরবের আইন ও ভিসার শর্ত পুরোপুরি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।
পাকিস্তান থেকে ওমরাহ পালনে যাওয়া ব্যক্তি ও কর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া ওই বার্তায় দূতাবাস সতর্ক করে বলেছে, আইন বা ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করলে গ্রেপ্তার, আটক ও নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর মতো শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দূতাবাসটি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ভিডিও প্রকাশ করেছে। ‘পাকিস্তান থেকে আগত সব ওমরাহযাত্রী ও কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা’ শিরোনামের ভিডিওটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি এক ব্যক্তিকে সৌদি কর্তৃপক্ষের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যেতে দেখা যায়। স্থানীয় আইন ভাঙলে কী ধরনের পরিণতি হতে পারে, তা বোঝাতেই প্রকাশ করা হয়েছে ভিডিওটি।
দূতাবাস জানিয়েছে, ভিক্ষাবৃত্তি ও অনুমোদনহীনভাবে অর্থ বা সহায়তা চাওয়ার বিষয়ে শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণ করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে মক্কা ও মদিনার পবিত্র স্থানগুলোর আশপাশে এ ধরনের কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
পাকিস্তানি দর্শনার্থীদের অনুমোদনহীন স্থানীয় সেবা গ্রহণ বা ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস। অর্থ সংগ্রহ বা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রয়োজন হলে তা অবশ্যই বৈধ ও অনুমোদিত পদ্ধতিতে করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া হজযাত্রী ও কর্মীদের ভিসার মেয়াদ এবং ভিসার ধরন অনুযায়ী নির্ধারিত শর্ত মেনে চলার কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে দূতাবাস। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সৌদি আরবে অবস্থান করা এবং ভিসায় অনুমোদিত নয় এমন কোনো কাজে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
গত বছর সৌদি আরবে হজ পালন করেন মোট ১৬ লাখ ৭৩ হাজার ৩২০ জন। তাদের মধ্যে সৌদি আরবের বাইরে থেকে দেশটিতে যান ১৫ লাখ ৬ হাজার ৫৭৬ জন।
































