নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি তার বাবা, প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কয়েক দিনব্যাপী শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতায় প্রকাশ্যে অংশ নাও নিতে পারেন। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মোহাম্মদ ইসলামি এমন মন্তব্য করেছেন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না তিনি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। কারণ বর্তমানে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলেরআগ্রাসন এবং নতুন সর্বোচ্চ নেতার নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ রয়েছে।’
ইসলামি আরও বলেন, ‘আমরা জানি, ইসরাইল আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা করে না এবং প্রকাশ্যেই ইরানে বিভিন্ন ধরনের অভিযান চালানোর হুমকি দিয়ে আসছে।’
তার ভাষ্য, ‘ইসরাইল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া অন্তর্বর্তী সমঝোতা নস্যাৎ করতে চায়। তাই তারা ইরানের ভেতরে এ ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে। এ পরিস্থিতিতে নতুন সর্বোচ্চ নেতার প্রকাশ্যে শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া উপযুক্ত হবে না।’
ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও শেষ বিদায়ের ছয় দিনের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হয়েছে। শনিবার (৪ জুলাই) সকালে এই কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।
শেষ বিদায়ের শোভাযাত্রা ইরাকেও অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে দাফন করা হবে।
খামেনির মরদেহ তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে পৌঁছানোর আগেই সেখানে হাজার হাজার শোকাহত মানুষ জড়ো হন। তাদের হাতে ছিল লাল পতাকা, যা প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। এ সময় তারা ‘আমেরিকার ধ্বংস হোক’ এবং ‘প্রতিশোধ, প্রতিশোধ’ স্লোগান দেন।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগেই তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে হাজার হাজার মানুষ প্রবেশ করেন।


































