গঙ্গার ভূমিকায় হেমা মালিনী


তপন বকসি
প্রকাশিত: মার্চ ১০, ২০২৩, ০৩:৫৩ পিএম
গঙ্গার ভূমিকায় হেমা মালিনী

ভারতের স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষ উপলক্ষে দেশজুড়ে ভারত সরকার যে ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ পালন করছে, তারই অংশ হিসেবে দেশের ৭৫টি নদীকে নতুন করে আরও নাব্য ও পুনরুজ্জীবনের কাজে ব্রতী হয়েছে সরকার। ভারত সরকারের এই ভাবনাকে নৃত্যনাট্যে রূপ দিচ্ছেন হেমা মালিনী।

মুম্বাইয়ের একটি প্রেক্ষাগৃহে স্বর্গ থেকে উৎপত্তি হওয়া নদীর বিভিন্ন যুগ ও সময়ের মধ্যে দিয়ে বয়ে আসা ঐতিহ্যকে তার এই নৃত্যনাট্যের মধ্যে দিয়ে রূপ দিতে চলেছেন হেমা মালিনী। বিভিন্ন যুগের পঙ্কিল ও কলুষময় সময়ের মধ্যে দিয়ে বয়ে আসা গঙ্গার অপ্রতিরোধ্য, নির্মল স্রোতের প্রাণচঞ্চল বহমানতায় নতুন প্রাণ ও জীবনের সঞ্চারের কাহিনীকে এই নৃত্যনাট্য এর মধ্যে দিয়ে মূর্ত করবেন হেমা মালিনী তার নান্দনিক নৃত্যের শিল্পকলায়। মূল প্রদর্শনীর আগে তারই একটি মহড়া হয়ে গেল মুম্বাইয়ে। সেখানেই হেমা মালিনী বলেন, “মহারাষ্ট্র সরকারের বর্তমান সময়ের যুবসমাজকে উদ্বুদ্ধ করার, এই প্রজন্মকে দেশের জননীসম বহমান নদীকূলের সঙ্গে নিজেদের একাত্ম করে দেওয়ার এমন এক মহতী উদ্যোগে সামিল হতে পেরে আমি নিজেকে গর্বিত মনে করছি।”

গবেষণাধর্মী আলেখ্যর সঙ্গে দক্ষ নৃত্যকলার যুগলবন্দীতে ‘গঙ্গা’ নামের এই নৃত্য আলেখ্য বর্তমান যুবসমাজকে নদীমাতৃক দেশে নদীগুলিকে নতুন জীবনদানের প্রেরণায় প্রণোদিত করবে বলে হেমা মালিনী আশা প্রকাশ করেন। হিমালয়ের সুউচ্চ শৃঙ্গ গোমুখ থেকে রাজা ভগীরথের সাধনা ও পূজার্চনায় উৎপন্ন হয়ে গঙ্গা নদী বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন বিভিন্ন স্থলভূমিকে যেভাবে শস্য উৎপাদনকারী উর্বরভূমিতে পরিণত করে দেশের বিস্তৃত প্রান্তকে সবুজ রং দিয়েছে, বিভিন্ন সময়ের উপাসক ও কবিদের জীবন ও জগতের অপার রহস্যকে জানার জ্ঞানক্ষুধাকে বাড়িয়ে দিয়েছে, সেই ‘মা গঙ্গা’র মানবিক প্রতিনিধি হয়ে যশস্বী অভিনেত্রী ও নৃত্য পারদর্শী হেমা মালিনীর এই বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হতে চলেছে সামনের সপ্তাহে মুম্বাইয়ে।

Link copied!