প্রশ্নফাঁস-কাণ্ডকে কেন্দ্র করে দেশ জুড়ে চলা ছাত্র আন্দোলন এবার বলিউডের অন্যতম বড় তারকা সালমান খানের সমর্থন পেল। বুধবার গভীর রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেছেন, দেশের ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির দাবিতে যে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন গড়ে তুলেছে, তার সম্পূর্ণ কৃতিত্ব তাদেরই প্রাপ্য। এই আন্দোলনকে কোনোভাবেই রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা উচিত নয়।
ইনস্টাগ্রামে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে অভিনেতা বলেছেন, প্রশ্নফাঁস অত্যন্ত গুরুতর একটি সমস্যা। দেশের তরুণ প্রজন্ম যে একসঙ্গে এসে এর বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলছে, তা আশার আলো দেখাচ্ছে। ছাত্রদের পাশাপাশি তাদের অভিভাবকদের ভূমিকাও তিনি প্রশংসা করেন সালমান।
তবে আন্দোলনের মধ্যে সহিংসতার খবর সামনে আসায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সালমান। তার ভাষ্য, এটি একটি শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ছিল। সেটি হিংসার (সহিংসতা) দিকে চলে গিয়েছে শুনে খারাপ লাগছে। যারা আহত হয়েছেন, তাদের ও তাদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রয়েছে।
অভিনেতার মতে, দেশের ছাত্রছাত্রীরা কঠোর পরিশ্রম করে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে চায়। শিক্ষা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে এগিয়ে যাওয়ার এই মানসিকতাই ভারতের ভবিষ্যৎকে শক্তিশালী করবে। তিনি বলেছেন, এই প্রজন্মের শিক্ষা নিয়ে আগ্রহ এবং দৃঢ়তা ভারতকে গর্বিত করবে।
একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে সরকারও হয়তো ছাত্রদের দাবি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবে এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
শুধু বর্তমান সমস্যা নয়, ভারতের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে নিজের স্বপ্নের কথাও তুলে ধরেছেন অভিনেতা। তার কথায়, শিক্ষা এমন আকর্ষণীয় ও আধুনিক হওয়া উচিত যাতে ভবিষ্যতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পড়াশোনা করতে ছাত্রছাত্রীরা ভারতে আসে এবং দেশ একটি আন্তর্জাতিক শিক্ষা-কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে।
উল্লেখ্য, প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে চলা আন্দোলন ঘিরে দিল্লিসহ দেশের একাধিক শহরে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজাও তুঙ্গে। সেই আবহেই সালমান খানের এই মন্তব্য নতুন মাত্রা যোগ করেছে বিতর্কে।



































