• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০, ১৩ শা’বান ১৪৪৫

ভূমিকম্প থেকে রক্ষা পেতে আজান দেন স্থানীয়রা


নোয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২, ২০২৩, ০৬:৫৬ পিএম
ভূমিকম্প থেকে রক্ষা পেতে আজান দেন স্থানীয়রা
ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভবন। ছবি : সংবাদ প্রকাশ

নোয়াখালীতে ৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে একটি মসজিদ ও একটি আধাপাকা ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা।

শনিবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ৯ টা ৩৫মিনিটের দিকে সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের এয়ারপুর গ্রামের আমিরুল ইসলাম ওরফে মুন্সির বসত ঘরে এবং একই গ্রামের কদম মিয়ার পাড় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এই ফাটল দেখা দেয়।

অপরদিকে, রিখটার স্কেলে এই ভূকম্পনের মাত্রা মাঝারি মানের বলে জানান নোয়াখালী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক আরজুল ইসলাম।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার এয়াপুর গ্রামের আমিরুল ইসলাম মুন্সির আধাপাকা বসত ঘরের ৩-৪টি স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। এতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ ছাড়া একই গ্রামের কদম মিয়ার পাড় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের একটি পিলারের বেশ কয়েকটি টাইলস খুলে পড়ে গেছে। ভূকম্পন অনুভূত হলে স্থানীয়রা মসজিদে আজান দিতে থাকেন। এ সময় তারা জানমালের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করেন।  

স্থানীয় আমির হোসেন বলেন, কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী এই ভূমিকম্পে পুরো নোয়াখালী কেঁপে ওঠে। এতে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে বাসা থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন।  

উল্লেখ্য, ইউরোপীয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) ও মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা- ইউএসজিএস জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল কুমিল্লা থেকে ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণপশ্চিমে এবং লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ থেকে ৮ কিলোমিটার উত্তরপূর্বে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ৩৫ কিলোমিটার। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৬।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ১০টি হালকা ও মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প সংঘটিত হয়েছে। এতে জানমালের তেমন ক্ষতি না হলেও বড় ধরনের ভূমিকম্পের আভাস পাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

Link copied!