হঠাৎ লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় তিস্তা চর পরিদর্শন করলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তার সঙ্গে ছিলেন দুই বিদেশি নাগরিক। এসময় মন্ত্রী তিস্তা পাড়ের সাধারণ কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন।
শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে তিস্তার শৌলমারি চরে যান টিপু মুনশি। এ সময় কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জহির ইমাম ও কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম গোলাম রসুল উপস্থিত ছিলেন।
সাধারণ কৃষকদের ধারণা, তিস্তা প্রকল্প হয়তো আলোর মুখ দেখছে। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য দুই বিদেশি নাগরিককে সঙ্গে নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী তিস্তার চরে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি পেলেই তিস্তার পাড়ে শুরু হবে প্রকল্পের কাজ। তিস্তা মহাপরিকল্পনাসহ কৃষকদের জন্য কলকারখানা হলে শুধু নদীই নয়, বদলে যাবে উত্তরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের চাকা।
এলাকাবাসী বলেন, “হঠাৎ কয়েকটি নামিদামি গাড়ি আসে তিস্তার শৌলমারী চরে। তখনও কেউ জানেন না ওই গাড়িতে বাণিজ্যমন্ত্রী রয়েছেন। গাড়ি থেকে নামার পর পুলিশ সদস্যরা কৃষকদের বলেন,‘গাড়িতে যিনি আছেন তিনি বাণিজ্যমন্ত্রী।’ গাড়ি থেকে নেমে বাণিজ্যমন্ত্রী তিস্তার চরের কয়েকটি ভুট্টাক্ষেত পরিদর্শন করেন। ওই সময় একে একে তিস্তা চরের কৃষকরা জড়ো হন। পরে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী।”
কৃষকরা জানান, প্রতি বছর বন্যায় তিস্তার দুই পাড়ের বাসিন্দাদের ফসলের ক্ষতি হয়। নদী ভাঙনের শিকার হয়ে নিঃস্ব হতে হয়। ধুধু বালুচরে তেমন কোনো চাষাবাদ করা যেত না। ফলে তিস্তার দুই পাড়ের বাসিন্দাদের দুর্বিষহ জীবনযাপন করতে হতো। অনেকে সহায় সম্বল হারিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে কাজ করছে। তিস্তার চরে ভুট্টা আবাদ কেমন হয় এসব বিষয়ে প্রশ্ন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। ওই সময় দুই বিদেশি নাগরিকও চর অঞ্চলের কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন।



































