মেয়রের বিরুদ্ধে আ. লীগের তোরণ ভাঙচুরের অভিযোগ


লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৫, ২০২২, ০৯:৫০ পিএম
মেয়রের বিরুদ্ধে আ. লীগের তোরণ ভাঙচুরের অভিযোগ

বিজয় দিবস উপলক্ষে সড়কে তোরণ নির্মাণ করেন লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

বুধবার রাতে সাড়ে ১০টার দিকে রায়পুর পৌরসভার মেয়র লোকজন নিয়ে ওই তোরণ ভেঙে ফেলেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী ও জেলা-উপজেলা নেতাদের ছবি সম্বলিত তোরণের ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলায় দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়।

পৌরসভার মেয়র গিয়াস উদ্দিন রুবেল ভাট উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিজয় দিবস উপলক্ষে শহরের প্রধান সড়কের চৌরাস্তায় একটি তোরণ নির্মাণ করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মামুনুর রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হায়দার বাবুল পাঠান। মুক্তিযুদ্ধে নিহত শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তোরণটি নির্মাণ করা হয়। তোরণটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, রায়পুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যদের ছবি সংবলিত ব্যানার ফেস্টুন দিয়ে ডেকে দেওয়া হয়। রাতে পৌরসভার মেয়র গিয়াস উদ্দিন রুবেল হঠাৎ ১০-১৫ জন যুবক নিয়ে তোরণটি ভেঙ্গে ব্যানার ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলন। এ সময় ডেকোরেটরের কর্মচারী মো. সবুজকে লাথি ও পিটিয়ে আহত করে মেয়র। খবর পেয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সেখানে ছুটে গিয়ে বাধা দেন। এসময় দুই পক্ষের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা হয়।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মামুনুর রশিদ বলেন, তোরণ ভেঙে  ব্যানার ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলেছেন মেয়র রুবেল নিজেই। প্রধানমন্ত্রীর ছবি সংবলিত ব্যানার ফেস্টুন ছিঁড়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীকেও অবমাননা করেছেন।  অথচ তিনি দলের একজন নেতা। নৌকা প্রতীকেই মেয়রও হয়েছেন। ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক।

তবে মেয়র গিয়াস উদ্দিন রুবেল ভাট জানান, ওই স্থানে আগে তার একটি তোরণ ছিল। তিনি সবসময় প্রধান সড়কের চৌরাস্তায় তোরণ নির্মাণ করে থাকেন। তার নির্ধারিত স্থানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উদ্দেশ্যমূলকভাবে তোরণ নির্মাণ করেন। এই নিয়ে তাদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়েছে।
 

Link copied!