দ্বিতীয়ার্ধেও গোল পায়নি ব্রাজিল ও ক্রোয়েশিয়া। বেশ কয়েকবার গোলের সুযোগ তৈরি করলেও ব্রাজিলের সব আক্রমণ ঠেকিয়ে দিয়েছেন ক্রোয়াট গোলরক্ষক। নির্ধারিত সময়ে গোল না হওয়ায় খেলা গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময়ে।
১৫ মিনিট করেন দুই হাফে আরও ৩০ মিনিট খেলা হবে। সেখানেও গোল না হলে ফলাফল নির্ধারিত হবে টাইব্রেকারে।
বিরতি থেকে ফিরেই গোলের সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল ব্রাজিল। ৪৭তম মিনিটেই গোল পেয়ে যাচ্ছিল সেলেসাওরা। ক্রোয়েশিয়ান ফুটবলারের পায়ে লেগে গোলমুখে থাকা অবিশ্বাস্যভাবে পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন ক্রোয়াট গোলরক্ষক।
এরপর ৫০ থেকে ৫৫ মিনিটের মধ্যে দুইবার গোলের সুযোগ হাতছাড় হয় ব্রাজিলের। দুইবারই অবিশ্বাস্যভাবে ঠেকিয়ে ক্রোয়াট দূর্গ অক্ষত রাখেন গোলরক্ষক লিভাকোভিচ।
ম্যাচের ৭৬তম মিনিটে আরও একবাড় ব্রাজিলের সামনে বাধা হয়ে দাড়ান ক্রোয়েশিয়ান গোলরক্ষক লিভাকোভিচ। ম্যাচের বাকি সময়েও কোনো দল গোলের দেখা না পেলে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।



















