দেশে আবারো অস্থির হয়ে উঠেছে ডলারের বাজার। মাসের ব্যবধানে দাম বেড়েছে প্রায় ১ টাকা। লেনদেন হচ্ছে ১২৪ টাকার কাছাকাছি। আমদানি বৃদ্ধি এবং ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপে কিছুটা বেড়েছে বিনিময় হার। যদিও এটিকে সাময়িক বলছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন, মার্কিন মুদ্রার দাম বৃদ্ধিতে মূল্যস্ফীতিসহ অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে বলে। তবে এর পেছনে কারসাজি আছে কি-না তা ক্ষতিয়ে দেখতে অর্থনীতিবিদেরা পরামর্শ দিয়েছেন।
উচ্চ প্রবাসী আয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ বৃদ্ধির পরও ডলারের দাম বৃদ্ধি নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। যদিও বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বিনিময় হারে বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধ এবং আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির কিছুটা প্রভাব পড়েছে। তবে দ্রুতই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, গেল অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স আসলেও বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ বেড়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১১ মাসে ৬৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি হলেও রফতানি হয়েছে ৪০ বিলিয়ন ডলার। ঘাটতি প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলার। যা আগের অর্থবছরের চেয়ে সাড়ে ৪ বিনিয়ন ডলার বেশি।
এ বিষয়ে ব্যবসায়ীরা বলছেন, ডলারের দাম বৃদ্ধিতে আমদানি ব্যয় বাড়বে। যার প্রভাব পড়বে পণ্যের দাম এবং মূল্যস্ফীতিতে। তাই এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় কার্যকর উদ্যোগ দরকার।

































