শাহজালাল বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ড

এখনো মামলা হয়নি


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: জুন ৬, ২০২৬, ১১:৪৯ পিএম
এখনো মামলা হয়নি

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শনিবার (৬ জুন) রাত পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, ঘটনাটি তারা তদন্ত করে দেখছেন। সন্দেহভাজন হিসেবে ডিএইচএল কুরিয়ার সার্ভিসের বেশ কয়েকজন কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা জানিয়েছেন।

যদিও ওই কুরিয়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ বলছে, তাদের কোনো কর্মীকে আটক করা হয়নি। সবাই ‘নিরাপদে’।

শুক্রবার (৫ জুন) রাত ১১টার ২৪ মিনিটে কার্গো ভিলেজের ৯ নম্বর গেইটে আগুনের খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের যে অংশে কুরিয়ার সার্ভিসগুলো কাজ করে, সেখানে একটি কন্টেইনারে আগুনের সূত্রপাত হয়। এর আগে গত বছরের অক্টোবরেও কুরিয়ার সার্ভিসের অংশেই (খাঁচায়) আগুন লেগেছিল।

বিমানবন্দরের এক কর্মকর্তা বলেন, এর আগেও ডি এইচ এল কুরিয়ারের খাঁচা থেকে আগুন লেগেছিল। এবারে আগুনটি লেগেছে তাদের একটি কনটেইনার থাকে। এজন্য ডিএইচএল কুরিয়ার সার্ভিসের কয়েকজন কর্মীকে শনিবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

তবে ডিএইচএল বাংলাদেশের মার্কেটিং ও কমিউনিকেশন প্রধান নুর ইয়াজদানি গণমাধ্যমকে বলেন, “এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। কর্তৃপক্ষকে সব রকম সহযোগিতা করে যাচ্ছি। আমাদের সব কর্মীরা নিরাপদে রয়েছেন।”

কোম্পানির কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিনা, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সেটা এখনো নিরীক্ষা চলছে। এ বিষয়ে আমাদের কাছে এখনো পূর্ণাঙ্গ কোন চিত্র নেই।”

বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ঢুকতে হলে বিশেষ কার্ড প্রয়োজন হয়। অনুমোদিত ব্যক্তি ছাড়া অন্যরা সেখানে ঢুকতে পারেন না।

আট মাসের ব্যবধানে সেখানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শনিবার রাত পর্যন্তও কোনো মামলা বা জিডি করেনি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

বিমানবন্দর থানার ওসি কামরুল হাসান তালুকদার বলেন, “আমাদের এখানে কেউ আসেনি, কোনো মামলা হয়নি। তবে আমরা খোঁজখবর রাখছি।”

বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস এম রাগিব সামাদ বলেন, “আমরা তদন্ত করছি। আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হলো তা দেখছি। পাশাপাশি কেউ ইচ্ছা করে আগুন লাগালো কি না, এসব বিষয়ই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা বলছেন, যেখানে আগুন লেগেছে তার পাশে একটি লাইটের খুঁটি রয়েছে। খুঁটির নিচে কিছু তার পরে থাকতে দেখা গেছে। তবে সেখানে শর্ট সার্কিট হয়েছে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো আলামত নেই।

অপরদিকে আগুন লাগার স্থানের আশপাশে সিগারেটের উচ্ছিষ্টাংশ পাওয়া গেছে। ধূমপান নিষিদ্ধ জায়গায় কারা ধূমপান করেছে সেটিও খতিয়ে দেখার কথা বলছেন বিমানবন্দর কর্মকর্তারা।

Link copied!