• ঢাকা
  • বুধবার, ২৬ জুন, ২০২৪, ১১ আষাঢ় ১৪৩১,

ঘোমটা পরে প্রতীক ছাড়া নির্বাচন করছে বিএনপি : কাদের


সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: নভেম্বর ৩০, ২০২১, ০৩:০০ পিএম
ঘোমটা পরে প্রতীক ছাড়া নির্বাচন করছে বিএনপি : কাদের
ফাইল ছবি

বিএনপি ঘোমটা পরে প্রতীক ছাড়া নির্বাচন করছে। তারা আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীদের ওপর ভর করে মারামারি হানাহানি করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ও ঢাকা মহানগর উত্তর এবং দক্ষিণ আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, “এবারের ইউপি নির্বাচনে ভোটারের উপস্থিতি সর্বোচ্চ ছিল। একজন নির্বাচন কমিশনারও নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছেন। নির্বাচনে পার্টিসিপেশন মূল কথা। স্থানীয় সরকার নির্বাচন এদেশে কখনো শান্তিপূর্ণ হয়নি। তবে শেখ হাসিনা সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির কারণে কেউ অপরাধ করে পার পাবে না। অনেক সময় তৃণমূল থেকে ভুল নাম আসে, কখনো কখনো বিভিন্ন প্রভাবের কারণে সংস্থার রিপোর্টও প্রভাবিত হয়, ভুল আসে। ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার সৎসাহস আওয়ামী লীগের আছে। ভুলগুলো খুঁজে বের করে  আমরা সতর্ক হচ্ছি।”

কাদের বলেন, “সরকারের পতন হবে জনগণের ইচ্ছায়, বিএনপির ইচ্ছায় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় বসেনি। জনগণ চাইলে চতুর্থবারও আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুকন্যা ক্ষমতায় থাকবেন।” 

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, বেপরোয়া গাড়ি যেমন দুর্ঘটনার কারণ, বেপরোয়া পথচারীও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। মোটরসাইকেল চালকরাও দিগ্বিজয়ী আলেকজান্ডারের মতো ছুটছে তো ছুটছে। এরাও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।”

এছাড়া সড়ক পরিবহন আইনে কোনো শিথিলতা আসছে না বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি। 

মন্ত্রী বলেন, “গণপরিবহনে হাফ ভাড়া আগে থেকেই কার্যকর ছিল। মাঝে শিথিলতা দেখা গেছে। সরকার বিআরটিসি বাসে ছাত্র-ছাত্রীদের হাফ ভাড়া নিশ্চিত করেছে। প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের অনুরোধে বেসরকারি বাস মালিকরা হাফ ভাড়ার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।”

এছাড়া খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নেই জানিয়ে কাদের বলেন, “তারা সাত বছর ধরে মামলা পিছিয়েছে, পরে দণ্ডিত হয়েছে। বিচার বিভাগ স্বাধীন। রায় মানতে হবে। পরে প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনায় খালেদা জিয়া দণ্ডাদেশ স্থগিত করে বাসায় থাকতে দিয়েছেন, হাসপাতালে চিকিৎসা করতে দিয়েছেন। এর চেয়ে বেশি বিএনপি কীভাবে আশা করে?” 

সভায় বিজয় দিবসে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঘোষণা করে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “আসছে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে বিজয় র‌্যালি হবে, ভারতের রাষ্ট্রপতি ১৭ ডিসেম্বর জাতীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন, বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন, আলোকসজ্জাসহ মাসব্যাপী কর্মসূচি রয়েছে। সহযোগী সংগঠন আওয়ামী লীগের কর্মসূচীর সঙ্গে মিলে নিজস্ব কর্মসূচি নেবে “

এছাড়াও ব্যানার ফেস্টুন যাতে শুধু আত্মপ্রচারের জন্য না হয়। দলের নামে পোস্টার, ব্যানার, বিলবোর্ড করা নির্দেশ দেন তিনি।

এ সময় বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, ফারুক খান, আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, হাছান মাহমুদ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল, মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন, আফজাল হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফি, যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ প্রমুখ।

Link copied!