ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পর এবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করলেন টলিউডের সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজ্য সচিবালয় ‘নবান্ন’-তে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন তিনি।
হাই-প্রোফাইল এই সাক্ষাৎকারের পর স্বাভাবিকভাবেই তার রাজনৈতিক পদক্ষেপে নিয়ে নতুন করে জোর জল্পনা শুরু হয়। তবে বৈঠক শেষে প্রসেনজিৎ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তাদের মধ্যে কোনো রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি।
নবান্ন থেকে বেরনোর সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আড়াইশোরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করা এই বর্ষীয়ান অভিনেতা জানান, কিংবদন্তি অভিনেতা উত্তম কুমারের ১০০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের প্রস্তুতি, বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পের বিভিন্ন সমস্যা এবং কিছু ব্যক্তিগত বিষয় নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। সমস্ত জল্পনায় জল ঢেলে তিনি বলেন, রাজনীতি নিয়ে কোনো কথা হয়নি।
দীর্ঘদিন ধরে বাংলা সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন সংকট ও উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখলেও, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় কখনোই সরাসরি সক্রিয় রাজনীতিতে পা রাখেননি। তবে রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে তার পরপর কিছু রাজনৈতিক সাক্ষাৎকারকে কেন্দ্র করে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে।
রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর গত ৯ মে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানেও উপস্থিত ছিলেন এই অভিনেতা। তাছাড়া, এ বছরই তাকে ‘পদ্মশ্রী’ সম্মানে ভূষিত করা হয়।
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্য সফরে এসে প্রসেনজিতের বাসভবনে গিয়ে তার সঙ্গে একটি সংক্ষিপ্ত বৈঠক করেন। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই এবার খোদ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এই সাক্ষাৎ তার বিজেপিতে যোগদানের গুঞ্জনকে আরও উসকে দিয়েছিল, যা শেষ পর্যন্ত নিজেই নাকচ করলেন টলিউডের ‘বুম্বাদা’।




































