পৃথিবীর অন্যতম মূল্যবান আকরিক স্বর্ণ। প্রাচীন যুগ থেকেই তাই মুদ্রা, অলংকার থেকে শুরু করে অনেক কিছুতেই স্বর্ণের প্রচলন লক্ষ্যনীয়। এমনকি অনেক দেশে রিজার্ভের পরিমাণও হিসেব করা হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বর্ণের মজুদ অনুযায়ী।
বাহ্যিক ব্যবহারের পাশাপাশি দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন পণ্যেও স্বর্ণের ছোঁয়া আভিজাত্যের পরিচয় বহন করে। কিন্তু স্বর্ণের শৌচাগার ব্যবহারের ভাগ্য হয় ক’জনার?

২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের গুগেনহাইম জাদুঘরের দর্শনার্থীরা পেয়েছিলেন সেই সুবর্ণ সুযোগ। ১৮ ক্যারেট সোনা দিয়ে তৈরি একটি টয়লেট কমোড রাখা হয়েছিল প্রদর্শনীর জন্য। যার আনুমানিক মূল্য ছিল ২০ লক্ষ মার্কিন ডলার।
জাদুঘরের পাবলিক টয়লেটে রাখা এই কমোডটি আসলে ছিল ‘অ্যামেরিকা’ নামের একটি ভাস্কর্য। নারী-পুরুষ সবার জন্যই উন্মুক্ত টয়লেটটি একজন দর্শনার্থী একবার করে ব্যবহার করতে পারতেন।
ইতালির বিখ্যাত ভাস্কর মৌরিজিও ক্যাটেলান তৈরি করেছিলেন এই স্বর্ণের শৌচাগার। মিলানের এই শিল্পী ব্যতিক্রমী সব ভাস্কর্যের জন্যেই বিশ্ববিখ্যাত।
অনেকে দাবি করেন সমাজে ধনী-গরিবের অর্থনৈতিক বৈষম্যের প্রতিবাদের প্রতীক এই ভাস্কর্যটি। যদিও শিল্পী ক্যাটেলান এর কোন নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেননি। দর্শনার্থীদের উন্মুক্ত চিন্তাকে উৎসাহ দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
তবে ২০১৯ সালে যুক্তরাজ্যের ব্লেইনহাইম প্যালেসে প্রদর্শনীর সময় চুরি হয়ে যায় এই শিল্পকর্মটি।

































