৩০ আগস্ট আফগানিস্তানের স্থানীয় জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস-কে সদস্য ভেবে ড্রোন হামলায় বেসামরিক নাগরিককে হত্যার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে নিহতের পরিবার। বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হামলায় নিহত এজমারাই আহমাদির ভাতিজা ফারশাদ হায়দারি (২২) হামলায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও দাবি করেন।
মার্কিন কর্মকর্তাদের আফগানিস্তানে এসে ক্ষমা চাওয়ার দাবি করেছেন ফারশাদ। এছাড়াও হামলায় নিহতদের পরিবারের দাবি, নিহতরা কেউ সন্ত্রাসী ছিল না, তা যুক্তরাষ্ট্রও স্বীকার করেছে। তাই হামলার জড়িতদের আটক করে শাস্তির দাবি করেন তারা।
২৬ অগস্ট কাবুল বিমাবন্দরের বাইরে আত্মঘাতী হামলার জেরে ৩০ আগস্ট আফগানিস্তানের স্থানীয় জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস-কে সদস্যদের লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালায় মার্কিন সামরিক বাহিনী। এ হামলায় রকেট হামলায় প্রস্তুতর আইএস সদস্য নিহত হয় বলে দাবি করে যুক্তরাষ্ট্র।
তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, এই দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা। অনুসন্ধানে দেখা যায়, ড্রোন হামলায় কোন আইএস-কে জঙ্গি মারা যায়নি। বরং অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নেওয়া আহমদী নামের এক আফগান কর্মী ও তার পরিবারের ৭ শিশুসহ ১০ জন নিহত হয়। এছাড়াও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মৃত ব্যক্তির হাতে কোন রকেট ছিল না, ছিল পানির পাত্র।








































