পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের শুনানি হবে বিশেষ আদালতে। নিরাপত্তা হুমকির কারণেই খানকে আদালতে আনা হবে না। কাভারেজের জন্য বিচারকদের অনুমতি সাপেক্ষে প্রবেশের অনুমতি থাকবে।
বুধবার (১০ মে) সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ইমরান খানকে ইসলামাবাদ পুলিশ লাইন্সে বিশেষ আদালতে হাজির করা হয়েছে।
জাতীয় জবাবদিহি ব্যুরোর (এনএবি) প্রসিকিউটর সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ১৪ দিনের শারীরিক রিমান্ডের জন্য আদালতকে অনুরোধ করেছেন। ইমরান খানের আইনজীবীরা এর বিরোধিতা করেছেন।
খানের আইনজীবী দল বলছে, রিমান্ড বিবেচনা করার আগে ইসলামাবাদ হাইকোর্টের প্রাঙ্গণ থেকে ৭০ বছর বয়সী খানকে কীভাবে গ্রেপ্তার করা হলো তা দেখা উচিত। শুনানি বর্তমানে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
ইসলামাবাদ পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, ইমরান খানকে আদালতে নেওয়া হয়নি, বরং গ্রেপ্তারের পর তাকে যেখানে আটকে রাখা হয়েছে সেখানেই তার শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে বর্তমানে শুনানি সাময়িক স্থগিত রয়েছে।
এনএবি সূত্র বলছে, তাকে অন্তত চার-পাঁচ দিন হেফাজতে রাখার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করা হবে। ইমরান খানের সঙ্গে ‘কঠোর আচরণ’ করা হবে না। তাকে কেবল মামলায় তার জড়িত থাকা ও আর্থিক সুবিধা চাওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
এর আগে, মঙ্গলবার (৯ মে) দুপুরে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করে এনএবি। আল-কাদির ট্রাস্ট মামলায় তাকে ইসলামাবাদ হাইকোর্টের ভেতর থেকে তুলে নেয় রেঞ্জার্স সদস্যরা। ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করার পর পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
ইমরান খানকে গ্রেপ্তারের পরই পাকিস্তানজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে পিটিআইয়ের কর্মী-সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। কোয়েটায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে এক বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। লাহোরে সেনানিবাসে হামলা চালিয়েছেন ইমরান খানের সমর্থকেরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইসলামাবাদ, পেশোয়ারসহ বিভিন্ন শহরে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।



































