প্রাণঘাতী শীতের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ইউক্রেন। ঝুঁকিতে আছে দেশটির লাখ লাখ মানুষ। বিদ্যুৎ সংকটে থাকা ইউক্রেনের মানুষদের জন্য এই শীত টিকে থাকার যুদ্ধ হবে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
সংস্থাটির ইউরোপ আঞ্চলিক পরিচালক হান্স ক্লুগে বলেন, “এই শীতকালটি হবে টিকে থাকার যুদ্ধ।”
ক্লুগে সোমবার (২১ নভেম্বর) আরও বলেন,“ইউক্রেনের স্বাস্থ্য ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর রাশিয়ার হামলায় বন্ধ হয়ে গেছে প্রায় অর্ধশত হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। তাছাড়া সেখানে জ্বালানি, পানি ও বিদ্যুতের প্রচণ্ড অভাব রয়েছে।"
শীতে ইউক্রেনের তাপমাত্রা নেমে যায় মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। ফলে কোভিড-১৯, নিউমোনিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো ফুসফুসের সংক্রমণ এবং কম টিকাপ্রাপ্ত এই জনসংখ্যার মধ্যে ডিপথেরিয়া এবং হামের মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে।
তুর্ক তার ভাষণে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকি, কিয়েভের অধিবাসীদের জ্বালানি সংরক্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ভিনিৎসিয়া, সুমি ও ওডেসাসহ দেশের অন্যান্য দুর্গত এলাকার বাসিন্দাদেরও একই কাজ করতে অনুরোধ জানান।
রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে অকার্যকর হয়ে গেছে ইউক্রেনের জ্বালানি খাতের প্রায় অর্ধাংশ। শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) এই তথ্য জানিয়েছে ইউক্রেনের সরকার। এভাবে চলতে থাকলে সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে রাজধানী কিয়েভ।
আসন্ন এ বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো নষ্ট হয়ে যাওয়া এলাকাগুলো থেকে বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবছে ইউক্রেনের সরকার।
ইউক্রেনীয় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন গ্রিড অপারেটর ইউক্রেনেরগো রিপোর্ট করেছে, কমপক্ষে ১৫টি প্রধান শক্তিকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হবার কারণে দেশজুড়ে ৪০% ইউক্রেনীয় অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে। এই মানুষগুলোই সবচেয়ে ঝুঁকিতে আছেন।























