বাঙালি কন্যা মৌনী রায়ের ক্যারিয়ার ১৯ বছরের। কিন্তু এত দিন ধরে একই ইমেজে বাঁধা পড়ে ছিলেন তিনি। একটি সিনেমা তাঁর চিরাচরিত ইমেজ বদলে দিয়েছে বলে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন মৌনী।
বহুল জনপ্রিয় টিভি সিরিয়াল ‘কিউ কি সাস ভি কাভি বহু থি’-এর মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করেছিলেন মৌনী। এরপর ‘নাগিন’, ‘সতী’, ‘মহাদেব’-এর মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিকে দেখা গিয়েছিল অভিনেত্রীকে।
এসব ধারাবাহিকে তাঁকে দেখা গিয়েছিল শাড়ি পরা সাদাসিধে ভারতীয় নারী হিসেবে। এমনকি অক্ষয় কুমারের ‘গোল্ড’ ছবিতেও একই বেশে ধরা দিয়েছিলেন মৌনী। এই বলিউড নায়িকা জানিয়েছেন, অয়ন মুখার্জির ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ ছবিটি তাঁর ক্যারিয়ারের মোড় অনেকটা ঘুরিয়ে দিয়েছে।
এসব ধারাবাহিকে তাঁকে দেখা গিয়েছিল শাড়ি পরা সাদাসিধে ভারতীয় নারী হিসেবে। এমনকি অক্ষয় কুমারের ‘গোল্ড’ ছবিতেও একই বেশে ধরা দিয়েছিলেন মৌনী। এই বলিউড নায়িকা জানিয়েছেন, অয়ন মুখার্জির ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ ছবিটি তাঁর ক্যারিয়ারের মোড় অনেকটা ঘুরিয়ে দিয়েছে।
তবে শুধু ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ নয়, ওয়েব সিরিজ ‘সুলতান অব দিল্লি’ও তাঁকে নতুন পরিচয় দিয়েছে বলে মনে করেন অভিনেত্রী। মিলন লুথারিয়া পরিচালিত এই সিরিজে মৌনীকে ক্যাবারে ড্যান্সার হিসেবে দেখা গেছে। ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ প্রসঙ্গে মৌনী আরও বলেছেন, ‘এই ছবির জুনুন চরিত্রটি আমার ক্যারিয়ারকে ইতিবাচক মোড় দিয়েছে। এই ছবির পর দর্শক আমাকে অন্যভাবে দেখতে শুরু করেছেন।’ অভিনেত্রীর কথায়, ‘আমি মনে করি না “ব্রহ্মাস্ত্র” করেই আমি থেমে যাব। আমি কখনো থামিনি। আমি মনে করি, এটাই আমাকে সবকিছু শিখিয়েছে। এই ফিল্মি ভ্রমণ থেকে আরও অনেক কিছু শিখতে চাই।’
মুম্বাইয়ে মৌনী রায়ের ২৫ কোটি রুপির বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে। বিপুল সম্পত্তির পাশাপাশি প্রিমিয়াম গাড়ির প্রতিও তাঁর বিশেষ আগ্রহ রয়েছে বলে জানা যায়। বাঙালি কন্যার গ্যারেজে রয়েছে ‘মার্সিডিজ জিএলএস ৩৫০ডি’, যার মূল্য আনুমানিক এক কোটি। এ ছাড়া রয়েছে ‘মার্সিডিজ বেঞ্জ ই ক্লাস’, যার আনুমানিক মূল্য ৬৭ লাখ রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক মৌনী।
কোনো অনুষ্ঠানে বিশেষ উপস্থিতি এবং অন্য কোনো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য তিনি প্রায় ৫০ লাখ থেকে এক কোটি রুপি পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন।
৪ বছরেই ভাঙল সংসার, বিচ্ছেদের কথা জানালেন মৌনী।







