সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ডনা সীমান্তে গুলিতে নিহত দুই বাংলাদেশির লাশ, ঘটনার প্রায় তিনদিন পর উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে পচন ধরা লাশ দুটি উদ্ধার করে কানাইঘাট থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তাজুল ইসলাম পিপিএম।
তাজুল ইসলাম পিপিএম বলেন, শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়। লাশ দুটির মধ্যে একজনের মাথায় এবং অন্যজনের কপালে গুলির চিহ্ন রয়েছে। লাশ দুটি ময়নাতদন্তের পর আর কোথাও কোনো গুলি আছে কি না তা বলা যাবে।
এর আগে কয়েক দফায় বিজিবি-ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বৈঠক হলেও কোনো ফল হয়নি। বরং লাশের অবস্থান নিয়ে দেখা দেয় জটিলতা। বিএসএফ লাশ দুটিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বলে উল্লেখ করলেও সীমানাগত কারণে লাশ দুটি ভারতের অভ্যন্তরে থাকায় তা উদ্ধার করতে পারেনি বিজিবি। তাই দীর্ঘ প্রক্রিয়া ও কয়েক দফায় বৈঠকের পর লাশ দুটি উদ্ধার করা হয় বলে বিজিবির একটি সূত্রে জানা যায়।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সীমান্ত এলাকার ১৩৩১ নম্বর পিলারের কাছ দিয়ে লালটিলা এলাকা দিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে গরু আনতে যান কয়েকজন। মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) রাতের কোনো এক সময় বিএসএফ বা ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে তারা নিহত হন। এ ঘটনার পর গত বৃহস্পতিবার বিজিবি ও বিএসএফ পতাকা বৈঠক করলেও দুজনের মৃত্যুর কারণ নিয়ে উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ঐক্যমতে পৌঁছাতে না পারায় ওইদিন লাশ উদ্ধার হয়নি।
উদ্ধার হওয়া লাশ দুটি হলো সীমান্তবর্তী এরালীগুল গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে আসকর আলী (২৫) ও একই গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে আরিফ হোসেনের (২২)। বুধবার (৩ নভেম্বর) ভোরে লাশ দুটি সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে জানান।






































