• ঢাকা
  • বুধবার, ১৯ জুন, ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১, ১২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

বাল্য বিয়ে আটকে দিলেন ইউএনও 


শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: জুলাই ২৬, ২০২১, ১০:৩৭ এএম
বাল্য বিয়ে আটকে দিলেন ইউএনও 

শেরপুরের নকলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে দশম শ্রেণি পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী। বাল্য বিয়ের আইন অমান্য করায় বর ও কনের বাবাকে ২৫ হাজার টাকা করে মোট ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়।

রোববার (২৫ জুলাই) রাত ১১টার দিকে গোপন খবরের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও ইউএনও জাহিদুর রহমান উভয় পরিবারের অভিভাবককে ওই অর্থদণ্ড প্রদান করেন। উপজেলার নকলা ইউনিয়নের ছত্রকোনা এলাকায় কনের বাবার বাড়িতে ওই বিয়ের আয়োজন করা হয়। 

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, নকলা ইউনিয়নের ছত্রকোনা গ্রামের আব্দুল হাইয়ের অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়ের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী উরফা ইউনিয়নের লয়খা গ্রামের সাহের আলীর ছেলে খলিলুর রহমানের বিয়ে ঠিক হয়। সে অনুযায়ী রবিবার রাতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এমন খবর পেয়ে ইউএনও কনের বাড়িতে গিয়ে উপস্থিত হন। তবে ইউএনও যাওয়ার আগেই বরযাত্রীদের ভুড়িভোজসহ বিয়ের বেশ কিছু আনুষ্ঠানিকতা এর মধ্যে শেষ হয়ে যায়। এ অবস্থায় বাল্য বিয়ে নিরোধ আইনে বর ও কনের বাবাকে ২৫ হাজার টাকা করে মোট ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করার পাশাপাশি ছেলে-মেয়েরা প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবেন না মর্মে উভয় পরিবারের অভিভাবকদের কাছে মুচলেকা আদায় করা হয়।

২০১৮ সালের ৩০ এপ্রিল জেলার পাঁচটি উপজেলার মধ্যে নকলাকে প্রথম বাল্য বিয়ে মুক্ত উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে উল্লেখ করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও ইউএনও জাহিদুর রহমান বলেন, “বাল্য বিয়ে কোন ভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। আইন অমান্য করলে এ কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট পরিবারের অভিভাবক, বর, আয়োজক ও নিকাহ রেজিস্ট্রার বা কাজীদের আইনের আওতায় আনা হবে।”

Link copied!