• ঢাকা
  • রবিবার, ১৬ জুন, ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১, ৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

পর্যটকদের জন্য মহানন্দা নদীর তীরে তৈরি হচ্ছে ওয়াক ওয়ে


পঞ্চগড় প্রতিনিধি
প্রকাশিত: আগস্ট ১৯, ২০২১, ০২:৫৩ পিএম
পর্যটকদের জন্য মহানন্দা নদীর তীরে তৈরি হচ্ছে ওয়াক ওয়ে

হিমালয়ের অপরূপ সৌন্দর্য পর্যটকদের কাছে আরও উপভোগ্য করতে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মহানন্দা নদীর তীরে তৈরি হচ্ছে ওয়াক ওয়ে।

বুধবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে নদীর তীরে থাকা দোকানপাট স্থানান্তর করে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করেছে উপজেলা প্রশাসন।


তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোহাগ চন্দ্র সাহা বলেন, “পর্যটকরা এখানে এসে যেন প্রকৃত বিনোদন পান এবং তারা যেন মহানন্দা নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন সেজন্যই তৈরি করা হচ্ছে এই ওয়াক ওয়ে।”

সোহাগ চন্দ্র সাহা আরও জানান, ডাকবাংলো পিকনিক কর্নার থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা সুস্পষ্ট দেখতে এই ওয়াক ওয়ে ও গ্যালারি তৈরির স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। অতিদ্রুত এর কাজ শুরু হবে।

বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত প্রত্যন্ত একটি উপজেলা এই তেঁতুলিয়া। ভৌগলিক অবস্থানগত কারণে পর্যটন খাতে তেঁতুলিয়া সারাদেশে সুখ্যাতি অর্জন করেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিনিয়ত দেশি-বিদেশি ভ্রমণপিপাসু হাজারো পর্যটক তেঁতুলিয়া ভ্রমণ করে থাকেন।

পিকনিক কর্নারের পশ্চিম সীমানায় নদীর তীরে দাঁড়িয়ে শীতের শুরুতে ও শীতের শেষে মেঘমুক্ত নীল আকাশ দেখা যায় বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গে। হিমালয় ও তিব্বত পর্বতমালার অংশ বিশেষ তুষার ও বরফ আচ্ছাদিত কাঞ্চনজঙ্ঘার মোহনীয় রূপবৈচিত্র নান্দনিক হয়ে ধরা পড়ে।

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত দিয়ে বয়ে চলেছে দুই দেশকে বিভক্তকারী মহানন্দা নদী। উপজেলা সদরের প্রাণকেন্দ্র মহানন্দা নদীর গা ঘেঁষে সুউচ্চ টিলার উপর অবস্থিত উপজেলার অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র তেঁতুলিয়া পিকনিক কর্নার ও ডাকবাংলো।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পর্যটন নগরী খ্যাত তেঁতুলিয়াকে আরও নতুন সাজে সাজাতে এবং করোনার এই সময়ে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার পাশাপাশি পর্যটকদের প্রকৃত বিনোদন দিতে তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো সংলগ্ন পিকনিক কর্নারে নদীর তীরবর্তী স্থানে তৈরি করা হচ্ছে ওয়াক ওয়ে ও গ্যালারি।

Link copied!