একের পর এক ফাউল, বাজে ট্যাকল, উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়, সংঘর্ষ ও হাতাহাতি—কী হয়নি ফ্রান্স-প্যারাগুয়ে ম্যাচে?
ফুটবলপ্রেমীরা যখন ফ্রান্সের কাছ থেকে আগের ম্যাচগুলোর মতো শেষ ষোলোর ম্যাচেও সুন্দর, আভিজাত্যপূর্ণ ও চোখধাঁধানো কিছু কৌশলের প্রদর্শনী আশা করেছিলেন, তখনই যেন ধোঁকা খেলেন। কারো কারো এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না, দিদিয়ের দেশমের দল এমন খেলা খেলল কী করে!
ফিলাডেলফিয়ার লিংকন ফিন্যান্সিয়াল ফিল্ডে পেনাল্টি থেকে একমাত্র গোল করে শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেছেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে।
কিন্তু ফল ছাপিয়ে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে অপ্রত্যাশিত ঘটনাগুলোই বেশি সামনে আসছে।
এমবাপ্পে অবশ্য স্বীকার করেছেন, নোংরা ফুটবল খেলেই শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছে তার দল। ম্যাচ শেষে রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা স্ট্রাইকার বলেছেন, ‘ওরা ভেবেছিল, আমরা বুঝি শুধু সুন্দর ফুটবল খেলতে মাঠে নামব। কিন্তু না; প্রয়োজন হলে আমরাও কঠিন ও নোংরা ফুটবল খেলতে জানি।
এমবাপ্পের দাবি, ম্যাচজুড়ে দুই দলের মনস্তাত্ত্বিক লড়াই চলেছে। সেই লড়াইয়েও ফ্রান্সই এগিয়ে ছিল, ‘প্রয়োজনে আমরা হাত নোংরা করতেও প্রস্তুত। সেই নোংরা খেলাতেও আমরা ওদের চেয়ে ভালো ছিলাম। ওরা আমাদের মানসিকভাবে অস্থির করার চেষ্টা করেছিল।
কিন্তু আমরাই উল্টো ওদের মাথা গরম করে দিয়েছি।’
ম্যাচে মোট চারটি হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন উজবেক রেফারি ইলগিজ তানতাশেভ। এর মধ্যে তিনটিই দেখেছে ফ্রান্স।
প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে যে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে, সেটি আগে থেকেই জানা ছিল এমবাপ্পের, ‘আমরা জানতাম, কী ধরনের ম্যাচ অপেক্ষা করছে। আমার মনে হয়, আজ আমরা সেটি খুব ভালোভাবেই সামলেছি।
ফক্সবরোর জিলেট স্টেডিয়ামে আগামী বৃহস্পতিবার কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর মুখোমুখি হবে ফ্রান্স। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও মুখোমুখি হয়েছিল এই দুই দল। মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠেছিল ফ্রান্স।

































