• ঢাকা
  • রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০, ১৪ শা’বান ১৪৪৫

লামিচানেকে ছাড়াই এশিয়া কাপে খেলতে গেল নেপাল


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: আগস্ট ২৩, ২০২৩, ০৫:০৯ পিএম
লামিচানেকে ছাড়াই এশিয়া কাপে খেলতে গেল নেপাল
ছবি: সংগৃহীত

এবারের এশিয়া কাপের জন্য নেপাল দলে ১৭ সদস্যের স্কোয়াডে ছিলেন সন্দ্বীপ লামিচানে। কিন্তু ধর্ষণ মামলার শুনানিতে হাজিরা দেওয়ার জন্য তাকে দেশে রেখেই এশিয়া কাপ খেলতে পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে বিমান ধরেছে নেপাল দল। লামিচানের ধর্ষণ মামলার শুনানি রয়েছে ২৭ আগস্ট। এদিন তার হাজিরা দিতে হবে এবং এই লেগ স্পিনার একটু অসুস্থও রয়েছে যার জন্য তাকে রেখেই নেপাল ক্রিকেট দল এশিয়া কাপ খেলতে চলে গিয়েছে।

এবারই প্রথম নেপাল এশিয়া কাপের মূল পর্বে খেলবে। কিন্তু শুরুতেই তাদের এমন দুঃসংবাদ শুনতে হলো। লামিচানেকে দেশে রেখে যাওয়ার ব্যাপারে নেপাল দলের ম্যানেজার প্রাদিপ মাজগাইয়ান ব্যাখ্যা দিয়েছেন। মাজগাইয়ান বলেন, “যেহেতু তার বিরুদ্ধে মামলা চলছে এবং হাজিরা দেওয়ার ব্যাপার আছে, এখনই সে যেতে পারছে না। এছাড়া তার স্বাস্থ্যগত কিছু সমস্যাও আছে।”

২৭ আগস্ট মামলায় হাজিরা দেওয়ার পর পাকিস্তানে গিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন লামিচানে এমনটাই আশা করছেন দেশটির ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন। নেপালের মাঠের লড়াই শুরু হবে মুলতানে ৩০ সেপ্টেম্বর স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে। তারা গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি খেলবে ভারতের বিপক্ষে। ম্যাচটি হবে ৪ সেপ্টেম্বর শ্রীলঙ্কার পাল্লেকেলেতে।

নেপালের ক্রিকেটে সবথেকে বড় তারকা সন্দ্বীপ লামিচানে। ২০১৮ সালের মে মাসে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের মধ্যদিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখেন এই লেগ স্পিনার। তিনি এখন পর্যন্ত ৪৪ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৮৫ উইকেট শিকার করেছেন। তার সামনে দ্রুততম ১০০ উইকেট শিকারের রেকর্ড গড়ার সুযোগ রয়েছে। এই রেকর্ডের মালিক বর্তমানে আফগানিস্তানের ক্রিকেটার রশিদ খান। তিনি এই রেকর্ড করে ছিলেন ৫৩ ম্যাচ খেলেই।

২০১৮ সালে লামিচানের ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক হয়। এরপর থেকে তিনি ৪৯ ম্যাচ খেলে শিকার করেছেন ১১১ উইকেট। তিনি এখন ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্রুততম উইকেট শিকারির মালিক। তার এই রেকর্ড গড়তে মাত্র ৪২ ম্যাচ খেলতে হয়েছিল। এ ছাড়া বিশ্ব ফ্র্যাঞ্চাইজির লিগের নিয়মিত মুখ সন্দ্বীপ লামিচানে। নেপাল ক্রিকেটের পোস্টার বয় ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে তার বিরুদ্ধে ধর্ষণে অভিযোগ ওঠে।

১৭ বছর বয়সী এক কিশোরী অভিযোগ করে, বন্ধুত্বের সুযোগে নাগরকোটে একটি হোটেলে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন লামিচানে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে নিষিদ্ধ করে নেপাল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন। সেই সময় এই বোলার ওয়েস্ট ইন্ডিজের ঘরোয়া লিগ খেলতে ব্যস্ত ছিলেন। পরে দেশে ফিরলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে নেপাল পুলিশ গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠান। এরপর জামিন নিয়ে জেল থেকে তিনি ছাড়া পেলে তার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। নেপালের এই খেলোয়াড় ক্রিকেটে ফিরলেও তার ধর্ষণ মামলার বিচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। লামিচানে সব সময়ই অস্বীকার করে আসছেন তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার অভিযোগ।

Link copied!