আন্তর্জাতিক ফুটবলে প্রথমবারের মতো শুরুর একাদশে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন গনসালো রামোস। সুযোগটা ভালোমতোই কাজে লাগিয়েছেন তিনি। তার পা থেকেই এসেছে কাতার বিশ্বকাপের প্রথম হ্যাটট্রিক। সব মিলিয়ে রামোসের দিনে সুইজারল্যান্ডকে ৬-১ গোলে হারিয়েছে পর্তুগাল।
মঙ্গলবার (৬ নভেম্বর) লুসাইল স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় পর্তুগাল ও সুইজারল্যান্ড। কোচের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে এ ম্যাচে ছিলেন না পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সঙ্গে জোয়াও ক্যানসেলোকে সাইড বেঞ্চে রেখেছিল পর্তুগাল। শুরুর একাদশ দেখে কিছুটা খর্বশক্তির মনে হচ্ছিল পর্তুগালকে।
খর্বশক্তির মনে হলেও মাঠে ঠিকই নিজেদের প্রমাণ করেছে পর্তুগাল। রামোসের হ্যাটট্রিকে ২০০৬ সালের পর প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে নাম লেখালো দলটি। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো।
ম্যাচের ১৭, ৫১ ও ৬৭ মিনিটে গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন গনসালো রামোস। এতে কিংবদন্তি ইউসেবিওকে ছাড়িয়ে যান তিনি। ১৯৬৬-এর বিশ্বকাপে ২৪ বছর ১৭৯ দিন বয়সে হ্যাটট্রিক করেছিলেন ইউসেবিও। রামোস ২১ বছর ১৬৯ বছর বয়সে ভাঙলেন ওই রেকর্ড।
বিরতির আগে ম্যাচের ১৭ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় পর্তুগাল। ৩৩ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করেন পেপে। ৩৯ বছর বয়সে সবচেয়ে বেশি বয়সী ফুটবলার হিসেবে নকআউট পর্বে গোলের রেকর্ড গড়েন পেপে। প্রথমার্ধে আর কোনো গোল না হওয়ায় পিছিয়ে থেকে মাঠ ছাড়ে সুইজারল্যান্ড।
বিরতি থেকে ফিরে ৫১তম মিনিটে আবারও স্কোরশিটে নাম তোলেন রামোস। এর চার মিনিট পর পর্তুগালকে আবারও এগিয়ে নেন রাফায়েল গুরেইরো। মিনিট তিনেক পরে একটি গোল করে ব্যবধান কমান সুইজারল্যান্ডের ম্যানুয়েল অ্যাকেনজি। পরের আরও দুই গোল করে পর্তুগাল। ফলে সুইসদের বড় হার নিশ্চিত হয়।
ম্যাচের ৭৪তম মিনিটে মাঠে নামেন রোনালদো। দীর্ঘ ৬ হাজার ৭৪৭ দিন পর সাইড বেঞ্চে বসেছিলেন এই ফুটবলার। আগের ম্যাচে কোচের সঙ্গে ঝামেলা করেই তাকে আজ থাকতে হয়েছিল সাইড বেঞ্চে।





















