• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০১ মার্চ, ২০২৪, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩০, ১৯ শা’বান ১৪৪৫

‘যেকোনো দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি’


সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: আগস্ট ২১, ২০২৩, ০৫:২৩ পিএম
‘যেকোনো দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি’

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, “ভারত ছাড়াও পৃথিবীর যেকোনো দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি (আইপি) দেওয়া হবে। বাজার শক্তভাবে মনিটর ও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। তাৎক্ষণিকভাবে সমস্যা সমাধানে আমাদের হাতে কিছু নেই। একটাই আছে, তা হলো অন্য দেশ থেকে আমদানি করা।”

সোমবার (২১ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। আমরা ১৩ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানির আইপিও দিয়েছি, এসেছে মাত্র ৩ লাখ টন। এখন ভারত তাদের পেঁয়াজ রপ্তানি নিরুৎসাহিত করার জন্য ৪০ শতাংশ শুল্ক বসিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এতে পেঁয়াজের দাম বাড়বে। পেঁয়াজ আনেইনি বেশি দাম দিয়ে। কিন্তু এরই মধ্যে পেঁয়াজের দাম বাড়ানো শুরু করে দিয়েছে।”

জাতীয় সমস্যা সমাধানের জন্য দুটি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, “গ্রীষ্মকালে পেঁয়াজ উৎপাদন করা। গতবার থেকে এটা শুরু হয়েছে। এবার ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ করেছি, সেটা আসবে অক্টোবরের শেষ বা নভেম্বরের প্রথম দিকে। নভেম্বরের আগে আমরা নতুন পেঁয়াজ পাব না। অতীতেও আমরা দেখেছি সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ে।”

ভারতের ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিষয়টি তুলে ধরে কৃষিমন্ত্রী বলেন, “ভারতের পদক্ষেপের কারণে যদি পেঁয়াজের দাম বাড়ে তাহলে আমরা কীভাবে সামলাব। এখানে তো আমাদের কোনো হাত নেই। এটা মোকাবিলা করার জন্য আমাদের বিকল্প হচ্ছে অন্যান্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আনা। মিশর, তুরস্ক, চীন থেকে এটা আমদানির ব্যবস্থা করতে হবে। পেঁয়াজ আমদানির বিষয়টি প্রত্যক্ষভাবে আমাদের দায়িত্ব নয়। তবে মন্ত্রী হিসেবে আমি দায়িত্ব এড়াতে পারব না। এটা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় করবে। এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি, বাণিজ্যমন্ত্রী, সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলছি।”

কবে থেকে আমদানি হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “যারা আমদানি করে তারা কাল থেকেই করতে পারে। যে কেউ ইমিডিয়েট চীন, জাপান, ইরান থেকে পেঁয়াজ আনতে চায়, আমরা তাদের আইপিও দেবো।”

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, “খোলাবাজার অর্থনীতি। কতটা আপনি বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন? এটা-তো রেজিমেন্টেড গভর্নমেন্ট না, রাশিয়া ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সরকার নয়। ইচ্ছা করলেই আমরা বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারব না। এটা চাহিদা ও সরবরাহের ওপর নির্ভর করে। সরবরাহ বাড়লে দাম কমবে।”

Link copied!