• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১, ১৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন তথ্যমন্ত্রী


সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: অক্টোবর ৫, ২০২৩, ০৫:৪৬ পিএম
ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন তথ্যমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

‘কোথায় স্যাংশনস, কোথায় ভিসা নীতি? তলে তলে সব আপস হয়ে গেছে। আর কোনো চিন্তা নেই, যথাসময়ে নির্বাচন হবে।’ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, “আমাদের সঙ্গে যেন কোনো কোনো দেশের সুসম্পর্ক নষ্ট হয়, তার জন্য অনেক অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। কিন্তু এতে কোনো লাভ হয়নি। কিন্তু বিরোধীদল বিশেষ করে বিএনপি বিদেশিদের দিয়ে আমাদের দেশের ওপর নাক গলানোর জন্য যে অপচেষ্টা চালিয়েছে তারই পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের সাধারণ সম্পাদক এই কথাগুলো বলেছেন।”

বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে আয়োজিত ‘টেকসই অর্থের জন্য পুঁজি বাজার’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, “গত কয়েক বছর ধরে বিএনপি এবং তাদের কিছু মিত্ররা আমাদের দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশিদের কাছে বলে আসছে। এর ফলে আমাদের দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশিরা নাক গলানোর সুযোগ পেয়েছে। বিদেশিদের কাছে বার বার গিয়ে আমাদের দেশকে ছোট করেছে। সেই প্রেক্ষাপটে আমাদের সাধারণ সম্পাদক (ওবায়দুল কাদের) কিছু কথা বলেছেন। প্রকৃতপক্ষে আমাদের দেশের পররাষ্ট্রনীতি হচ্ছে, সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক; কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়।”

তথ্যমন্ত্রী বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে প্রধানমন্ত্রী যখন ওয়াশিংটন গিয়েছিলেন তখন তার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক হয়েছে। এটাই প্রমাণ করে আমাদের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক কোন পর্যায়ে।”

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, “আমাদের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। আমরা এই সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের সঙ্গে যেমন দিল্লির সুসম্পর্ক, তেমন ওয়াশিংটনের সুসম্পর্ক এবং ব্রাসেলসেরও সুসম্পর্ক।”

জনপ্রিয়দের মনোনয়ন দেওয়া হবে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বলেন, “আওয়ামী লীগ যেহেতু নির্বাচনে বিশ্বাসী, আমরা বহু আগে থেকেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। যারা সম্ভাব্য প্রার্থী তারাও প্রস্তুতি নিয়েছে এবং নিচ্ছে। আমাদের দলের একটা নিজস্ব মনোনয়ন বোর্ড আছে এবং নিজস্ব জরিপ টিম রয়েছে। নানান সূত্র থেকে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা কোন পর্যায়ে তা যাচাই-বাছাই করেন। যেখানে যে প্রার্থী জনপ্রিয় তাকে সেখানেই মনোনয়ন দেওয়া হবে। তিনি দলের কত বড় নেতা, তিনি সরকারের কত বড় মন্ত্রী তা বিবেচনা করা হবে না। শুধু বিবেচনা করা হবে তার কত জনপ্রিয়তা রয়েছে।”

বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছায়েদুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলি রুবায়েত-উল-ইসলাম।

অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মো. রিয়াদ মতিন।

Link copied!