• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১,

ষড়যন্ত্র করে সরকার হঠানোর চেষ্টা চলছে : নানক


সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মে ৯, ২০২৩, ০৮:৩৫ পিএম
ষড়যন্ত্র করে সরকার হঠানোর চেষ্টা চলছে : নানক

আন্তর্জাতিকভাবে ষড়যন্ত্র করে একটি অশুভ শক্তি সরকার হঠাতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলী সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক।

মঙ্গলবার (৯ মে) রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘কথা-কবিতায় স্মরণ ও দোয়া’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

নানক বলেন, “দেশের ভেতরে একটি অশুভ শক্তি সরকারের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করে। তারা সরকার ফেলে দেওয়ার চিন্তা করে। তারা দেশের মধ্যে থেকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র করেছে।”

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ্য করে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, “আপনারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের সঙ্গে লিপ্ত। তাদের পরিষ্কার বলতে চাই, এই দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার চিরদিনের জন্য নির্বাসিত করছেন আপনারা। ষড়যন্ত্র করে আর আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে আওয়ামী লীগকে টলানো যাবে না।”

নানক আরও বলেন, “বিদেশি প্রভুদের কাছে পা ধরে, আপত্তি করে, নালিশ করে, অভিযোগ করে, কোনো লাভ হবে না। সোজা পথে আসতে হবে। অগণতান্ত্রিক পথ পরিহার করে গণতন্ত্রের পথে আসতে হবে। নির্বাচনই হলো একমাত্র সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার। আজকে দীর্ঘ সময় জাপান, আমেরিকা ও যুক্তরাজ্য সফর শেষে আল্লাহতালার ইচ্ছায় স্বদেশে ফিরে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার এই সফরে বিদেশি প্রধানমন্ত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাতে বাংলাদেশের জনগণের মুখ উজ্জ্বল করেছেন তিনি।”

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, “বিচারপতি সাহাবুদ্দিনকে দিয়ে যে তত্ত্বাবধায়ক কিংবা দল নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, তিনি যে বিশ্বাসঘাতকতা জনগণের সঙ্গে করেছিল, সেই বিশ্বাসঘাতকতার ফলেই বাংলার জনগণ বুঝতে পেরেছিল আসলে দল নিরপেক্ষ বলতে কোনো কিছু নেই। কাজেই জনগণের নির্বাচিত সরকার ক্ষমতা থাকতেই নির্বাচন হবে। তবে সেই নির্বাচন হবে স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের অধীনে। সকালের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, এটি আমরা বলতে পারি।”

১/১১‍‍`র প্রসঙ্গ টেনে নানক বলেন, “এই মে মাসে আমরা আন্দোলন করেছিলাম যখন ১/১১ সরকার শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করল। গ্রেপ্তার হওয়ার পর তিনি যখন দেশের বাইরে গেলেন চিকিৎসার জন্য, তারপরে তাকে আর দেশে ফিরতে দিতে চায়নি। তাকে বহনকারী বিমান ঢাকা বিমানবন্দরে নামতে দেওয়া হবে না। এটি জানিয়ে দেওয়ার পরও শেখ হাসিনাই সেই নেত্রী যিনি সকল রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলেন।”

ড. ওয়াজেদ মিয়ার স্মৃতিচারণ করে নানক বলেন, “ড. ওয়াজেদ মিয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবনসঙ্গিনী হওয়ার পরও তিনি কখনও তার রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করেননি। তিনি তাকে রাজনীতিতে সাহস ও শক্তি জুগিয়েছিলেন।”

বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া স্মৃতি পাঠাগার পরিচালনা কমিটির সভাপতি ছবি বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি শহীদ উল্লা খন্দকার, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো মহাপরিচালক ড. আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

Link copied!