৩০তম জাতীয় সম্মেলন

ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই পদের জন্য আবেদন ২৫৪


সফিকুল ইসলাম
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৫, ২০২২, ০৯:৫৯ পিএম
ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই পদের জন্য আবেদন ২৫৪

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলন মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর)। সম্মেলন ঘিরে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ঐতিহ্যবাহী এই ছাত্র সংগঠনটি।

মঙ্গলবার সকালে সাড়ে ১০টায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই পদ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের জন্য এবার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ২৫৪ জন। তাদের মধ্যে ৯৬ জন সভাপতি ও ১৫৮ জন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী।

সম্মেলনকে ঘিরে ছাত্রলীগে প্রার্থীর ছড়াছড়ি নতুন কোনো বিষয় নয়। এর আগের তিন সম্মেলনেও শীর্ষ দুই পদের জন্য মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন কয়েক শ নেতা। তবে শেষ মুহূর্তে এসে বেশিরভাগ প্রার্থীই তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন অথবা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন। অনেকেরই প্রার্থী হওয়ার কারণ ‘অর্থযোগের’ হাতছানি বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগ নেতারা।

গত তিনটি সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগে শীর্ষ নেতা নির্বাচিত বা মনোনীত হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এবারও এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতৃত্ব মনোনীত করা হতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে। এতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের তৎপরতা সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে।

ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, দুই বছর পরপর ছাত্রলীগের জাতীয় সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও কখনো তা হয়নি। নিয়মিত সম্মেলন না হওয়ায় প্রার্থীর সংখ্যা এত বেশি হয় বলে মনে করেন সাবেক-বর্তমান বেশির ভাগ নেতারা।

এ বিষয়ে কথা হয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের সঙ্গে। তিনি বলেন, “আমরা সম্মেলনের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। ইতোমধ্যে প্রার্থীদের আবেদনপত্র নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই নতুন কমিটি হবে।”

ছাত্রলীগের সর্বশেষ সম্মেলন হয়েছিল ২০১৮ সালের মে মাসে। ওই বছরের জুলাইয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি পদে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক পদে গোলাম রাব্বানী দায়িত্ব পান। তারা পদ হারালে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে সভাপতি পদে আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক পদে লেখক ভট্টাচার্য আসেন। পরে ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি তারা ‘ভারমুক্ত’ হন।

যানজট এড়াতে যেসব রাস্তা বন্ধ থাকবে

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রলীগের ৩০তম সম্মেলন উপলক্ষে মঙ্গলবার আশপাশের এলাকাগুলোতে রাস্তা বন্ধ রাখার পাশাপাশি রোড ডাইভারশন দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক-রমনা বিভাগ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। বলা হয়েছে, ছাত্রলীগের সম্মেলন উপলক্ষ্যে যানজট এড়াতে রাজধানীর কাঁটাবন ক্রসিং, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ক্রসিং, কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং, কাকরাইল চার্চ ক্রসিং, ইউবিএল ক্রসিং, হাইকোর্ট ক্রসিং, দোয়েল চত্বর ক্রসিং, ঢাবি মেডিকেল সেন্টার, জগন্নাথ হল ক্রসিং, ঢাবি ভাস্কর্য ক্রসিং ও উপাচার্য ভবন ক্রসিং এলাকায় সম্মেলন শেষ না হওয়া পর্যন্ত ট্রাফিক ডাইভারশন চলবে। এছাড়া সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের আশপাশের এলাকায় চলাচলের ক্ষেত্রে নগরবাসীকে ভিন্ন রাস্তা ব্যবহার করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

Link copied!