এপ্রিল গড়িয়ে মে মাস পড়লো। তবুও গরম কমার কোনো লক্ষণই নেই। বরয় তাপমাত্রার স্কেল আরও খানিকটা বেড়ে যাচ্ছে। খানিকটা বৃষ্টি হলেও গরমের তীব্রতা কমেনি। বরং বাতাসের গরম ভাবও রয়ে গেছে। এমন অবস্থায় এসির দোকানে ভিড় করছেন ক্রেতারা। বাড়িতে শান্তির ঘুম দিতে এসি ব্যবহারই এখন ভরসা। ফ্যানের বাতাসেও ঘাম হচ্ছে। কিছুতেই প্রশান্তি মিলছে না। তাই নতুন এসি কেনার ধুম পড়েছে।
এসি কেনা যে সব অস্বস্তির অবসান, তা নয়। বরং এসি কেনার পরই বেশি কাজ থাকে। যন্ত্রটি সুবিধামতো ঘরের নির্দিষ্ট জায়গায় স্থাপন করতে হয়। দক্ষ কাউকে দিয়ে কাজটি করতে হয়। নয়তো ঝামেলা হতে পারে। এছাড়াও নিত্যদিন ব্যবহারের জন্য যন্ত্রটির খুঁটিনাটিও জানতে হবে। এটি সঠিকভাবে পরিচালনা করতে হবে। নয়তো নতুন এসি হলেও তা বিগড়ে যেতে সময় লাগবে না।
আধুনিক এসি চালানোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন মোড থাকে। যার যথাযথ ব্যবহার জানতে হবে। তাহলেই এসির উপযুক্ত কদর হবে এবং ব্যবহারও সহজ হয়ে যাবে।
ডিফল্ট মোড
এসি ডিফল্ট মোড করে রাখতে পারেন। এর আদর্শ তাপমাত্রা হলো ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই তাপমাত্রায় সবসময় এসি চালালে কম্প্রেসরে চাপ পড়বে না। এসি দ্রুত বিগ়়ড়েও যাবে না।
কুইক কুল মোড
ঘর দ্রুত ঠান্ডা করার জন্য কুইক কুল মোড দিয়ে রাখুন। কুইক কুল মোডে ১৬-১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এসি চলে। কিছু ক্ষণের মধ্যে ঘরের তাপমাত্রা কমিয়ে দেবে। এতে বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যাবে।
ফ্যান মোড
ফ্যান মোডে এসির ভিতরের ফ্যান ঘুরে বাতাস তৈরি করে। এই সময় এসির কম্প্রেসর বন্ধ থাকে। তাই ফ্যান মোডে চালালে ঠান্ডা বাতাস বের হয় না। কিন্তু বিদ্যুৎ খরচ বেশি হবে।
ড্রাই মোড
ড্রাই মোড ঘরের বাতাসের অতিরিক্ত আর্দ্রতা দূর করবে। এতে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যাবে। এই মোডে বাতাস থেকে অতিরিক্ত আর্দ্রতা দূর করার জন্য এসির ফ্যানের গতিবেগ কম থাকে। কম্প্রেসর কিছু সময়ের জন্য চালু থাকে। এতে ঘর একেবারে ঠান্ডাও হয় না। কিন্তু গরমের ভাব কমে যায়। বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়।
স্লিপ মোড
রাতে স্লিপ মোডে এসি চালানো ভালো্ এই মোডে এসি চললে প্রতি ঘণ্টায় এসির তাপমাত্রা বাড়ে ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এতে ঘুমোনোর সময় বেশি ঠান্ডাও লাগে না। আবার ঘর গরমও হয় না।
এসির বিভিন্ন মোডের ব্যবহার জেনে এরপর ব্যবহার করুন। এতে আপনি সহজেই ঘরকে ঠান্ডা করতে পারবেন এবং বিদ্যুত বিলও কম হবে।




















