আগুনে পুড়ে গেলে আমরা ব্যস্ত হয়ে পড়ি ক্ষতস্থানে কী করব তা নিয়ে। কিন্তু কী কী করতে হয় না, সেটিও আমাদের মাথায় রাখা উচিত। চলুন জেনে নিই—
- অনেকেই পোড়ার ওপর মাখন ব্যবহার করেন, এটি ভুল। পোড়ার প্রতিকার হিসেবে মাখনের কার্যকারিতা সমর্থন করে, এমন কোনো প্রমাণ নেই। মাখন ব্যবহারে পোড়ার ক্ষত আরও খারাপ হতে পারে। কারণ, মাখন তাপ ধরে রাখে ও ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া পোড়া ত্বককে সংক্রমিত করতে পারে।
- আরেকটি লোককথা হলো, পোড়া স্থানে ডিমের সাদা অংশের ব্যবহার। তবে এর ফলে আক্রান্ত স্থানে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। আবার ডিম অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়ারও সৃষ্টি করতে পারে।
- অনেক স্থানেই প্রচলিত আছে, বিভিন্ন তেল সবকিছু নিরাময় করে। তবে ভুলেও কখনো পোড়া স্থানে নারকেল তেল, জলপাই তেল কিংবা রান্নার তেল ব্যবহার করবেন না। কারণ, সব ধরনের তেলই তাপ ধরে রাখে, ফলে ত্বক আরও পুড়ে যেতে পারে।
- কোথাও পুড়লেই টুথপেস্ট লাগাবেন না। টুথপেস্ট পোড়াকে আরও যন্ত্রণা দেয়। ফলে সংক্রমণের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। এ ছাড়া এটি জীবাণুমুক্তও নয়।
- পোড়া স্থানে কখনো বরফ বা খুব বেশি ঠান্ডা পানি ব্যবহার করবেন না। এতে পোড়া স্থানের ক্ষত আরও বেড়ে যেতে পারে।
কখন ডাক্তার দেখাবেন
- পোড়ার স্থান ৩ ইঞ্চি ব্যাসের বেশি হলে
- মুখ, হাত, নিতম্ব বা কুঁচকির অংশ পুড়ে গেলে
- ক্ষত বেদনাদায়ক বা দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে উঠলে
- শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে
- যদি মনে করেন তৃতীয়-ডিগ্রি বার্ন হয়েছে (ক্ষত স্থান সাদা হয়ে গেলে)।
এসব লক্ষণ দেখলে দ্রুত রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।








































