বছর ঘুরতে না ঘুরতেই বিদ্যুতের বিল বাড়িয়ে দিচ্ছে সরকার। এই অবস্থায় বিদ্যুতে সাশ্রয় ছাড়া কোনো উপায় নেই। বিল কার্ড পদ্ধতি চালু হওয়ার পর থেকে তো সাশ্রয়ের বিষয়ে আরও সচেতন হতে হচ্ছে। অনেকের গাফলতির কারণেই মাস শেষে বিদ্যুত বিল বাবদ বেশি টাকা গুনতে হয়। আবার অনেক সময় মাসের মাঝেই বিদ্যুতের প্রিপেইড কার্ডটি শেষ হয়ে যায়। বিশেষ করে বিদ্যুতের বিল মধ্যবিত্তের কাছে সব সময়ই চোখরাঙানি ৷ কী করা যায়? এর উপায় হচ্ছে কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখা।
দৈনন্দিন কাজে বিদ্যুতের ব্যবহারই সবচেয়ে বেশি হয়। একটু সতর্ক হয়ে বিদ্যুতের ব্যবহার করলে মাস শেষে বিলের চাপ অনেকটাই কমে যায়। টুকিটাকি কিছু বিষয় মনে রাখবেন। সংসারের বাকি সবকিছুর মতো বিদ্যুৎ বিলটাও আপনার নাগালেই থাকবে।
- অপ্রয়োজনে আলো ও পাখা চালিয়ে রাখবেন না। অনেকেই ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেও ঘরের আলো জ্বালিয়ে রেখেই বেরিয়ে যান। ফ্যানও চলতে থাকে। এটা মোটেও করবেন না। বরং এক ঘর থেকে অন্য ঘরে যাওয়ার আগে আলো ও ফ্যান বন্ধ রাখুন। এই অভ্যাস পরিবারের সবাইকেই করতে বলুন।
- বাড়ির ছোট সদস্যদের দায়িত্ব দিন ঘরের আলো ও ফ্যান বন্ধ আছে কিনা তা খেয়াল করা। এতে তারাও সতর্ক হবে ৷ বড় হলে এই অভ্যাস তাদের বেশ কাজে দিবে।
- বাড়িতে এলইডি আলোর ব্যবহার বাড়ান ৷ এতে বিদ্যুৎ কম লাগে ৷ বিলের ক্ষেত্রেও সাশ্রয়ী হয়৷ সব ঘরেই এলইডি আলো লাগিয়ে নিন। সিঁড়ি ঘরও বাদ দেবেন না।
- একেবারে সারা বাড়িতে আলো জ্বালিয়ে না রাখার প্রয়োজন নেই। বরং ‘টাস্ক লাইটিং’ করতে পারেন। প্রয়োজনে শুধু আলো জ্বালাবেন। অন্য সময় বন্ধ রাখবেন। রান্নাঘর, খাবার ঘরের আলো সব সময় জ্বালিয়ে রাখার দরকার নেই। বই পড়ার সময় রিডিং ল্যাম্প ব্যবহার করতে পারেন ৷
- বাড়ির সব বাল্ব ও আলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন ৷ সাধারণ বাল্ব নয়, বরং ফ্লুরোসেন্ট আলো ও টিউবলাইট ব্যবহার করুন ৷ এতে অন্তত ৭০ শতাংশ বিদ্যুৎ খরচ কমে যাবে ৷
- শীতাতপ যন্ত্রের ফিল্টার থাকে। প্রতি মাসেই এটি পরিষ্কার করুন ৷ শীতাতপ বা বাতানুকূল যন্ত্র সব সময় ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখার চেষ্টা করুন৷ এতে বিদ্যুতের ব্যয় অনেকটা কমে যাবে।
- অনেকে অযথা টিভি, কম্পিউটার, ল্যাপটপ চালিয়ে রাখেন। অযথা চালিয়ে রাখার এই অভ্যাসেও বিদ্যুতের খরচ বেড়ে যায়। তাই ব্যবহার না করার সময় টিভি ও কম্পিউটার বন্ধ রাখুন ৷ প্রায় ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে।





















