দুর্নীতির অভিযোগের জেরে পদত্যাগ করেছেন অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর সিবাস্তিয়ান কুর্জ। একই অভিযোগে ক্ষমতাসীন ওভিপি পিপলস পার্টির আরও নয়জনের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।
বিবিসি জানায়, স্থানীয় ট্যাবলয়েড পত্রিকায় নিজের নামে ভালো খবর ছাপানোর জন্য সরকারি অর্থ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে চ্যান্সেলরের বিরুদ্ধে। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কুর্জ।
তার দাবি, দেশে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতেই পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। তবে দলের নেতা ও পার্লামেন্টে সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয় থাকবেন তিনি।
পদত্যাগের পর চ্যান্সেলর পদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার শ্যালেনবার্গকে মনোনয়ন দেন তিনি। সিবাস্তিয়ান কুর্জ বলেন, “এখন যেটা প্রয়োজন, তা হলো স্থিতিশীলতা। বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধ ও অচলাবস্থা কাটিয়ে ওঠার জন্যই আমি সরে দাঁড়াচ্ছি। আমি অবশ্যই নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করব।”
২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে চ্যান্সেলরের দায়িত্বে ছিলেন কুর্টস। তবে অনিয়মের অভিযোগে বেশ কিছুদিন ধরেই তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হচ্ছে ভিয়েনায়। অভিযোগের কারণে পতনের মুখে পড়েছে জোট সরকার।
পদত্যাগের সিদ্ধান্ত স্বাগত জানালেও পার্লামেন্টে তার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আগামী সপ্তাহে তারা বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোট ডাকার ঘোষণা দিয়েছে বিরোধী দল।


































