• ঢাকা
  • শনিবার, ২০ জুলাই, ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১, ১৩ মুহররম ১৪৪৫

আফগান নারীদের দুর্দশার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করলেন বিশেষজ্ঞরা


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০২২, ০৯:২৯ পিএম
আফগান নারীদের দুর্দশার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করলেন বিশেষজ্ঞরা

গত আগস্টে আফগানিস্তান দখল নেয় তালেবান। এরপর থেকে দুর্দশা নেমে আসে আফগান নারীদের জীবনে। তালেবানের সঙ্গে এই দুর্ভোগ আরো বাড়িয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আফগানদের সম্পদ জব্দ করায় এই দুর্দশা চরমে পৌঁছেছে।

সোমবার (২৫ এপ্রিল) জাতিসংঘের স্বাধীন বিশেষজ্ঞরা এসব মতামত দেন।

গত বছর তালেবান বাহিনী আফগানিস্তান দখলে নেওয়ার পর মেয়েদের শিক্ষার বিষয়ে সোচ্চার ছিল জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশ। নারী শিক্ষার মতো নারীদের অধিকারের প্রতিশ্রুতি থেকে পিছিয়ে যাওয়ার জন্য তালেবান প্রশাসনের পদক্ষেপের নিন্দা করেছে তারা।

কিন্তু জাতিসংঘের ১৪ জন অধিকার বিশেষজ্ঞ এক বিবৃতিতে মার্কিন সরকারকে দোষারোপ করেছে।

তারা বলছেন, কয়েক দশক ধরে দেশটির জন্য সঞ্চিত সাহায্য অর্থের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার জব্দ করে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই কাজ করে আফগান নারীদের জীবন আরো দুর্বিষহ করে দিয়েছে মার্কিন সরকার।

সুনির্দিষ্ট বিবরণ না দিয়ে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা বিবৃতিতে বলছেন, যদিও নারী ও শিশুদের জন্য লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতা একটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা। যা গুরুতর হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর আফগানিস্তানের প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত পদক্ষেপগুলো এসব আরো বৃদ্ধি করছে।

এছাড়া নারীদের অধিকার অবনতির ক্ষেত্রে তালেবানে লিঙ্গ-ভিত্তিক বৈষ্যমকেও দায়ী করেছেন বিশেষজ্ঞরা। আফগানিস্তানে বর্তমান মানবিক সংকট নারী ও শিশুদের ওপর ‘অসমানুপাতিক প্রভাব’ ফেলছে।

গত আগস্টে আফগানিস্তান থেকে বিদেশি সামরিক বাহিনী প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এরপর কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেয় তালেবান বাহিনী। পরে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকে থাকা সকল সম্পদ জব্দ করে মার্কিন সরকার।

আফগানদের সম্পদ নিয়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেছিলেন। যেখানে জানানো হয়, আফগান জনগণকে সহায়তা করার জন্য জব্দকৃত অর্থের অর্ধেক খালি করার জন্য কাজ চলছে।

মার্কিন প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তে জাতিসংঘের স্বাধীন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ সবাই তাদের কার্যকলাপের অধিকার লঙ্ঘন না করা থেকে বিরত থাকতে আইন রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের অধীনে তারা অন্যের অধিকার লঙ্ঘন করতে পারেন না। মার্কিন সরকারকে ইতোমধ্যে এই উদ্বেগ ও সুপারিশ সম্পর্কে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি।

Link copied!