মরণোত্তর দেহদান করলেন দুই বাংলার জনপ্রিয় সংগীতিশিল্পী কবীর সুমন। বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) তিনি দেহদানের অঙ্গীকারপত্রে স্বাক্ষর করেন। আজ বৃহস্পতিবার তিনি সেই অঙ্গীকারপত্রে স্বাক্ষর করার একটি ছবি প্রকাশ করেন।
এর আগে ২০২০ সালের ২৪ অক্টোবর নিজের ফেসবুক পেজে তিনি নিজের হাতে লেখা একটি ইচ্ছাপত্রের ছবি পোস্ট করেন। এতে তিনি মরণোত্তর দেহদানের ইচ্ছা ব্যক্ত করেন।
যেখানে তিনি বলেছিলেন, “আমার মৃতদেহ যেন দান করা হয় চিকিৎসাবিজ্ঞানের কাজে। কোনো স্মরণসভা, শোকসভা, প্রার্থনাসভা যেন না হয়। আমার সমস্ত পাণ্ডুলিপি, গান, রচনা, হার্ড ডিস্ক, পেনড্রাইভ, লেখার খাতা, প্রিন্ট আউট যেন কলকাতা পৌরসভার গাড়ি ডেকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সেগুলো ধ্বংসের জন্য। আমার কোনো কিছু যেন আমার মৃত্যুর পর পড়ে না থাকে। আমার ব্যবহার করা সব যন্ত্র, বাজনা, সরঞ্জাম যেন ধ্বংস করা হয়। এর অন্যথা হবে আমার অপমান।”
নব্বইয়ের দশকের শুরুতে ‘তোমাকে চাই’ অ্যালবাম দিয়ে বাংলা আধুনিক গানের জগতে আবির্ভাব হয়েছিল সুমনের। প্রবল জনপ্রিয় হয়েছিলেন তিনি। মোড় ঘোরানো আধুনিক বাংলা গানের জনক হিসাবে তাকেই গ্রহণ করেছিল বাঙালি। কালক্রমে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন। জড়িয়ে পড়েন সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সঙ্গে। পরে তৃণমূলের হয়ে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে দাঁড়িয়ে জয়ী হয়ে সাংসদও হন তিনি।
































