• ঢাকা
  • সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১, ৮ মুহররম ১৪৪৫

টাঙ্গাইলে বৃষ্টিতে বাসায় ঢুকছিল রাসেলস ভাইপার, এরপর যা হলো...


টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
প্রকাশিত: জুন ২২, ২০২৪, ০৯:৩৫ পিএম
টাঙ্গাইলে বৃষ্টিতে বাসায় ঢুকছিল রাসেলস ভাইপার, এরপর যা হলো...
বাসার গেটে পাওয়া রাসেলস ভাইপার। ছবি : প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলে পৌর শহরের সাবালিয়া পাঞ্জাপাড়ায় বিষধর রাসেলস ভাইপারের দেখা মিলেছে। পরে সেটিকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়। 

শনিবার (২২ জুন) সকালে টাঙ্গাইল জজ কোর্টের সাবেক জিপি আব্দুর রশিদের বাসার গেটে পাওয়া যায় এ সাপটি।

আব্দুর রশিদ বলেন, “শনিবার সকাল থেকে শহরে বৃষ্টি হচ্ছিল। আমি বাসার নিচে চেম্বারে বসে কাজ করছিলাম। বৃষ্টির মধ্যে বেলা সাড়ে ১১টায় আমার বাসার এক ভাড়াটিয়া বাইরে যাওয়ার সময় দেখেন একটি রাসেলস ভাইপার গেট পেরিয়ে বাসার ভেতরে প্রবেশ করছে। তখন তিনি ডাকাডাকি করলে আমার চেম্বারের লোকজন গিয়ে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে সাপটি মেরে ফেলেন। এরপর থেকে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।”

আব্দুর রশিদ আরও বলেন, “এই সাপ যেহেতু একসঙ্গে ৫০-৬০টি বাচ্চা দেয়, সেহেতু বাসার আশপাশে আরও সাপ থাকতে পারে। আমাদের এই মহল্লায় সাপ নিধনে দ্রুত অভিযান চালানো জরুরি।”

এদিকে পুরো জেলাজুড়ে চলছে রাসেলস ভাইপার বা চন্দ্রবোড়া সাপ আতঙ্ক।

টাঙ্গাইল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সাজ্জাদুজ্জামান বলেন, “আমরা মূলত বন্যপ্রাণী নিয়ে কাজ করি। বর্তমানে সারা দেশে রাসেলস ভাইপার নিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি জানলাম। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করব।”

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. মিনহাজ উদ্দিন মিয়া বলেন, “রাসেলস ভাইপার বা চন্দ্রবোড়া সাপে আতঙ্কিত না হয়ে আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। সাপে কাটা রোগীদের জন্য প্রত্যেক উপজেলায় ১০টি করে অ্যান্টিভেনম ডোজ এবং জেলায় ১০০টি ডোজ সংরক্ষিত আছে। প্রয়োজনে এর পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে। আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি।”

মিনহাজ উদ্দিন মিয়া আরও বলেন, “জেলার সখিপুরে একজনকে সাপে কামড় দিয়েছে শুনেছি। পরে দেরিতে হাসপাতালে আনা হলে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ময়মনসিংহ মেডিকেলে তাকে রেফার্ড করলে সেখানে তিনি মারা যান। এছাড়া টাঙ্গাইলে আর কাউকে সাপে কাটার খবর পাইনি।”

Link copied!