• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১, ১০ মুহররম ১৪৪৫

শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ভুয়া প্রশ্নপত্রসহ আটক ১৩


লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: এপ্রিল ২২, ২০২২, ০৬:০৭ পিএম
শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ভুয়া প্রশ্নপত্রসহ আটক ১৩

লক্ষ্মীপুরে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার উত্তর সম্বলিত ভুয়া প্রশ্নপত্রসহ ১৩ জনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।  

শুক্রবার (২২ এপ্রিল) সকালে পুলিশ রামগঞ্জের পৌরসভা ও বিভিন্নস্থানে এবং সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।  

আকটরা হলেন রামগঞ্জ উপজেলার ভোলাকোট ইউনিয়নের নন্দনপুর গ্রামের আবদুল হাইয়ের ছেলে মাহমুদুল হোসাইন (৩০) ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তার (২৬), একই এলাকার গোলাম সারওয়ারের স্ত্রী শারমিন আক্তার (৩১), আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী সুমি আক্তার (২৬), ভাদুর ইউনিয়নের পশ্চিম ভাদুর গ্রামের আকিব হাসানের স্ত্রী মোরশেদা জান্নাত রিবু (২৬), পৌর ৮ নম্বর ওয়ার্ডের টামটা গ্রামের আবুল বাসারের মেয়ে সুরাইয়া আক্তার (২৯), একই এলাকার ফারুক হোসেনের স্ত্রী তানিয়া বাশার (২৬), ইছাপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের মোফাজ্জল হোসেনের স্ত্রী তাছনিম আক্তার (৩০), নয়নপুর আবুল হাসেমের ছেলে মঞ্জুর হোসেন (৩১), পৌর ১ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাপুর গ্রামের মো. মমিন হোসেনের ছেলে রহমত উল্যা (২৮), ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নন্দনপুর গ্রামের মৃত জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে পারভেজ হোসেন (২৬), ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দরবেশপুর গ্রামের হারুনির রশিদের ছেলে জহিরুল ইসলাম (৩০) এবং লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের চর উভূতি গ্রামের আবদুল বারিকের ছেলে মো. জামাল উদ্দিন সবুজ (৩০)।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি রামগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নন্দনপুর গ্রামের মাহমুদুল হোসাইনের ভাড়া বাসায় অভিযান চালায়। এ সময় মাহমুদুল ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তারকে আটক করা হয়।

তাদের বাসা থেকে সাত সেট ভুয়া প্রশ্নপত্রের প্রিন্ট কপি, ১২ জন পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র (অনলাইন প্রিন্ট কপি), বিভিন্ন ব্যাংকের পাঁচটি সাদা চেকের পাতা, ছয় সেট শিক্ষা সনদের মূল কপি এবং আটটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। তাদের বাসা থেকে আরও ছয়জন নারীকে আটক করে পুলিশ।

পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জেলার সদর উপজেলার বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে আরও পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।  

জেলা পুলিশ সুপার ড. এ এইচ এম কামরুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় লক্ষ্মীপুরে ২৩টি কেন্দ্রে ১৩ হাজার ১০৯ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এটাকে কেন্দ্র করে একটি চক্র রামগঞ্জ উপজেলার নন্দনপুর গ্রামের আমিররেন্নেছা ভবন থেকে প্রশ্নপত্র দেওয়ার নামে বিভিন্ন পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে চেকের মাধ্যমে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা এবং সনদপত্র হাতিয়ে নেয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়।

পুলিশ সুপার জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের আটক করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

 

Link copied!